পোস্টগুলি

বিচার কাজ শেষ হতে সময় লাগলো ১০ বছর

ছবি
২০০৮ সালে দায়ের করা জিয়া অরফানেজ ট্রাষ্ট দুর্নীতি মামলার রায় হচ্ছে ৮ ফেব্রুয়ারি। বিচার কাজ শেষ হতে সময় লাগলো ১০ বছর। দশ বছরে বিচারকাজ চলেছে ২৩৬ কার্যদিবস। খালেদা জিয়া আদালতে বক্তব্য রেখেছেন ২৮ কার্যদিবস। এ মামলায় তার আইজীবীরা যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেছেন ১৫ কার্যদিবসে।   দুর্নীতি, নাশকতা ও মানহানীর ৩৭ মামলার আসামি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। স্বামীর নামে গঠন করা ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলাটি রায়ের অপেক্ষায়। খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে এতিমদের সহায়তার জন্য ১৯৯৩ সালের ৫ সেপ্টেম্বর গঠন করা হয় জিয়া অরফানেজ ট্রাষ্ট। ওই বছরের ১৩ই নভেম্বর প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে জিয়া অরফানেজ ট্রাষ্টের নামে দেয়া হয় ২ কোটি ৩৩ লাখ ৩৩ হাজার ৫শ টাকা। সমপরিমাণ টাকা জিয়া মেমোরিয়াল ট্রাষ্টের নামেও দেয়া হয়। তবে জিয়া মেমোরিয়াল ট্রাষ্টের নামে নেয়া টাকা নিয়ে কোন অভিযোগ নেই দুদকের। জিয়া অরফানেজ ট্রাষ্টের নামে নেয়া টাকার ব্যাপারে দুদক বলছে, রাষ্ট্রীয় ত্রাণ তহবিল থেকে বেআইনিভাবে ট্রাস্টে টাকা নেয়া হয়েছে। ট্রাষ্ট গঠনে সমাজ কল্যাণ মন্ত্রনণালয়ের কোন নিয়ম মানা হয়নি। খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত...

গেইলের সাথে মনে রাখার মতো একটি রাত কাটিয়েছি

ছবি
সালমান খানের সঙ্গে জুটিবদ্ধ হয়ে ‘লাকি’ ছবির মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক ঘটেছিলো অভিনেত্রী স্নেহা উল্লাহের। পরবর্তীতে বলিউডে সেভাবে সফলতা না পেলেও ঐশ্বরিয়া রায়ের সঙ্গে চেহারার মিল থাকায় বেশ আলোচিত হন তিনি। বহুদিন থেকেই লাইমলাইটে নেই। তবে হঠাৎ করেই বেশ আলোড়ন তুলেছেন। এর মূল কারণ হলো ক্যারিবিয়ান দুই ক্রিকেটার ক্রিস গেইল এবং ডোয়াইন ব্রাভো। ভারতের মাটিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ওয়েস্টইন্ডিজ মাঠে নামার একদিন আগে নাকি ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটারদের সঙ্গে পার্টিতে অংশ নেন স্নেহা। এতদিন পর অবশেষে তা নিয়ে মুখ খুললেন এ অভিনেত্রী। ২৮ বছর বছর বয়সী স্নেহা, ক্রিস গেইলের সঙ্গে নেচেছেন, জমিয়ে আড্ডাও দিয়েছেন। তার কথায়, “ক্রিস গেইল অত্যন্ত শান্ত, হোটেলে তার সঙ্গে মনে রাখার মতো একটি রাত কাটিয়েছি, অনেক মজাও হয়েছে। তাকে দেখুন! খুব শান্ত মানুষ।” সেদিনের আয়োজনে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য ভেগা এন্টারটেইনমেন্টকে ধন্যবাদও জানান এ অভিনেত্রী। তিনি বলেন, ‘আমার ভক্তরা মনে করেন, আমি গেইলের জন্য সৌভাগ্যের প্রতীক। আমরা একটি প্রাইভেট পার্টিতে ছিলাম। সে আমার কাছে আসলো এবং আমরা কথা বলা শুরু করলাম। আমরা ফোন নাম্বার বিনিময় করালম এবং...

নাশকতার চেষ্টা হলে তা প্রতিরোধে ১৫ হাজার গজারি লাঠি তৈরি আছে

ছবি
বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার দুর্নীতির মামলার রায়ের দিন কোন নাশকতার চেষ্টা হলে তা প্রতিরোধে ১৫ হাজার গজারি লাঠি তৈরি আছে বলে হুঁশিয়ারি এসেছে পরিবহন মালিক সমিতির পক্ষ থেকে। রায়ের দুই দিন আগে মঙ্গলবার রাজধানীর রাজউক এভিউনয়ে বিআরটিসি ভবনের সভাকক্ষে ঢাকা পরিবহন মালিক সমিতির উদ্যোগে মালিক-শ্রমিক যৌথ সভায় এই হুঁশিয়ারি উঠে আসে। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্যাহ বলেন, বিএনপি নেতাদের গর্জনে আমরা আশঙ্কা করছি সেইদিন নাশকতা করবে তারা। কারণ, অতীতের কঠোর জবাব আমরা দেখেছি, তাদের আন্দোলন মানে জ্বালাও পোড়াও। তবে এই রায়কে ঘিরে যদি কোনো ধরনের নাশকতা করার চেষ্টা করা হয় তবে মালিক শ্রমিক মিলে গজারি লাঠি দিয়ে তার জবাব দেয়া হবে। আর আন্দোলনে নামলে বিএনপি যানবাহনে নাশকতা করতে পারে বলেও আশঙ্কা পরিবহন মালিকদের নেতা খন্দকার এনায়েতের। তিনি বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াতের কঠোর আন্দোলন গাড়ি পোড়ানো, গাড়িতে পেট্রল বোমা মারা। তাদের কঠোর আন্দোলন হচ্ছে জ্বালাও পোড়াও করা। তাদের গর্জন দেখে আমরা আশঙ্কা করছি সেদিন নাশকতা করবে তারা। রায়ের দিন নাশকতা এড়াতে রাজধানীর গুলিস্তান, মহাখালী,...

জয়বাংলার শ্লোগানে কম্পিত হবে বাঁশখালীর রাজপথ

ছবি
আইন সবার জন্য সমান,আইন তার আপন গতিতেই চলবে ,আইন শাসন প্রতিষ্ঠায় ,দেশের স্বার্থে আমাদের উচিত, আইনের প্রতি বিশ্বাস ও সম্মান দেখানো। দেশের সম্পদ লুটপাট,দুর্নীতি,আন্দোলনের নামে মানুষ পুড়িয়ে মারা কখনো রাজনীতির অংশ হতে পারে না । শান্তিপ্রিয় বাঁশখালীতে কেউ অশান্তির /বিশৃঙ্খলা  সৃষ্টির চেষ্টা করলে,এইবার বাঁশখালীর সচেতন জনগনই তার প্রতিরোধ করবে। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ জনগনের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে জম্ম নেওয়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতেগড়া সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ রাজপথে থাকবে সেই জনতার সেবায়। যে জনতার ভালবাসায় জীবন যৌবন বিলিয়ে দিয়েছেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।  সে জনতার পাশে দাড়াতে,বাঁশখালী উপজেলা ছাত্রলীগ আয়োজিত  দিনব্যাপী কর্মসূচি ও আলোচনা সফল করতে বাঁশখালীর তৃনমূল আওয়ামীলীগ যুবলীগ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের নির্দেশ চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগের প্রভাবশালী সদস্য ,বাঁশখালীর সাধারন জনগনের প্রিয়নেতা আব্দুল্লাহ কবির লিটন।

আমাকে ভুল গাইড করা হয়েছে

ছবি
আমাকে হাসিনা, শেখ পরিবার ও আওয়ামীলীগ সম্পর্কে ভুল গাইড করা হয়েছে, হাসিনা খাঁটি মুসলমান। হাসিনা পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন,তাহাজ্জুদ পড়েন।তিনি নাস্তিক নয়,তিনি আস্তিক’:শানে রেসালত সম্মেলনে আল্লামা আহমদ শফী’#হে আল্লাহ!আ’লীগকে তুমি মুহাব্বত করো,তোমার ফেরেস্তারা যেন মুহাব্বত করে।আওয়ামীলীগের (ক্ষমতাকে বাড়িয়ে)দেশের খেদমত করার তৌফিক দাও, আ’লীগকে নবীর শাফাআত নসীব করিও, তাদের খেদমতকে কবুল করো” :স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উপস্থিতিতে আল্লামা আহমদ শফীর দোয়া।

বাংলাদেশের পরিচিতির পরিধি বাড়ছে বিশ্বদরবারে

     আপনার দলের নেত্রীকে যদি এমন একটি জায়গায় বক্তৃতা দিতে দেখেন তখন আপনার অনুভুতি কেমন হয়, সত্যিকরে বলুন তো দেখি। বিশ্বের কয়টি দলের নেতা/নেত্রী এই স্থানে বক্তব্য দেয়ার সুযোগ পায়? কিসের সাথে কিসের তুলনা করি আমরা প্রত্যহ, কেন করি,তাঁরা কারা,খোঁজ খবর নিয়েছেন কেউ?নেননি- তাঁরা আমাদের মাঝে ডুব দিয়ে থাকা নৈরাশ্যবাদি গুটিকয়েক মুজিব সৈনিক। যারা সারা দেশ থেকে জড়ো হওয়া হাজার হাজার হেফাজতি রাজপথে দেখে দেশ ছেড়ে পালায়,একবারও চিন্তা করেনা ১৬কোটি মানুষের দেশে তাবিজ বিক্রেতার- তাবিজের গুনগান শুনার জন্যেও হাজার মানুষের ভিড় জমে।     প্রতি গ্রামে একাধিক মাদ্রাসার অস্তিত্ব থাকা সত্বেও সাধারন মানুষের আস্থা অর্জন করতে পারেনি,ধবধবে পাঞ্জাবি,মাথায় পাগড়ি,হাতে লাঠি, দুই আঙ্গুলের চিপায় মেচওয়াক,অকল্পনীয় এবাদত সত্বেও নৈরাশ্যবাদে বিশ্বাসি বিধায় প্রকৃত আল্লাহর বান্দা-নবীজির প্রতি প্রগাড়বিশ্বাসী উম্মত, ইমানদার মসুলমানগন তাঁদেরকে গ্রহন করেনা।    অশিক্ষিত, বেঘোরে মদখোর, নিত্য শয্যাসঙ্গি বদলকারিনী, কালটাকা সাদা- যে নেত্রী করতে পারে তাঁর সাথে তুলনা করি। আওয়ামীলীগ দীর্ঘবছর ক্ষম...

খালেদাকে নেওয়া হতে পারে পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারে !

ছবি
অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সাজা হলে বিএনপি চেয়াপারসন খালেদা জিয়াকে ঢাকার নাজিম উদ্দিন রোডের পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারে রাখা হতে পারে। কারা অধিদফতর সংলগ্ন বকশী বাজারে স্থাপিত বিশেষ আদালত থেকে তাকে দ্রুত এই পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারে নেয়া যাবে বলে প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। সেলক্ষ্যে প্রাথমিক প্রস্তুতিও শুরু করেছে কারা কর্তৃপক্ষ। পুরাতন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের পূর্ব ও উত্তর অংশে মহিলা ওয়ার্ড। ওয়ার্ড লাগোয়া একটি দেয়াল। দেয়ালে একটি গেট আছে। এই গেট দিয়ে প্রবেশ করলে একটি দোতালা ভবন পড়ে। এই ভবনের ২য় তলায় বিউটি পারলার ও নারী বন্দীদের সেলাই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। ২০১৬ সালের ২৮ জুলাই ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার কেরানীগঞ্জে স্থানান্তর করা হয়। এরপর থেকে এই দোতালা ভবনের সকল কার্যক্রম বন্ধ ছিল। এক সপ্তাহ আগে থেকে এই দোতালা ভবনের সংস্কার কাজ শুরু করেছে কারা কর্তৃপক্ষ। তবে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষের একজন কর্মকর্তা বলেন, আদালতের বিচারাধীন অনেক আসামি মাঝে মধ্যে অসুস্থ হয়ে গেলে তাৎক্ষণিক তাদেরকে এই পুরাতন কারাগারে আনা হয়। এজন্য এই পুরাতন কারাগারটি আগে থেকে সংস্কার করে রাখা হয়েছে। এজন্য একজন ডেপুটি ...

বাঁশখালীতে আ'লীগের চেয়ে বহুগুণ এগিয়ে জামায়াত শিবির

ছবি
বাঁশখালী এমন উপজেলার নাম,যেখানে মিছিল মিটিং বা জনসভার দিকে দৃষ্টি রাখলেই মনে হবে,বাঁশখালী আ'লীগের বহু পুরাতন একটি ঘাটি।যেখানে আপাতত দৃষ্টিতে মনে হবে,১০০জন ব্যক্তির মধ্যে ৯০জনই আ'লীগ।। তবে খুব একটা কাছ থেকে যখন সমাগম ব্যক্তিদের উপর দৃষ্টি রাখবেন,তখনই সব এক নিমিষে বিষের মতো মনে হবে আপনার। কেননাঃ যখনই আপনার চোখের সামনে তান্ডব চালানো সেই পিকেটার-টি আজ জয়বাংলার স্লোগান দিতে এসেছে।বিষ বলছি এই কারনে যে, এই পিকেটার-টির আগমন যে কেবল আমার/আপনার প্রতিপক্ষ জয়বাংলার স্লোগানে রাজপথে থাকা সেই ভাইটির মাথা পাঠাতে এসেছে।তার কাজ-ই যে এটি,সেটা পেলে আসা অতীত গুলো থেকে শিক্ষা পেয়েছি। যদি কারো ভাবনায় থাকে,বাঁশখালী মানে কেবল জামায়াত বিএনপির আঁতুরঘর।তবে আমি বলবো,বাঁশখালী কখনো জামায়াত বিএনপির আতুঁরঘর ছিলো না,বরং আমরা-ই যেন বার বার উপহার হিসেবে প্রিয় উপজেলাটি জামায়াত বিএনপির হাতে তুলে দিয়েছি। এইটা ওদের ভালো বা জনকল্যাণ মুলুক কাজের প্রতিদানে নয়, বাঁশখালী উপজেলা আওয়ামীলীগের সঠিক নির্দেশনা ও অভ্যন্তরীন কোন্দলের মাত্রাতিরিক্ত প্রভাবটা-ই একমাত্র দায়ী। বাঁশখালী সংসদীয় আসনঃ১৬,যেখান থেকে শুধু জামায়া...

রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ব্যাক্তি হয়েও নিজের শিক্ষাগুরুকে সামনে পেয়ে সম্মান দিতে ভুলে যাননি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ছবি
শিক্ষককে দেখে শ্রদ্ধায়-ভালোবাসায় মাথা নুয়ে আসে বাঙালির। পরিবারের পর একজন শিক্ষকই আমাদের আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার শিক্ষা দেন। পরিবার থেকে শুরু করে সমাজ সবখানেই শিক্ষকের জায়গাটা শ্রদ্ধার-সম্মানের-ভালোবাসার। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ব্যাক্তি হয়েও নিজের শিক্ষাগুরুকে সামনে পেয়ে সম্মান দিতে ভুলে যাননি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা বলেই হয়তো এমন বিরল দৃশ্যের মুখোমুখি হতে পারল গোটা জাতি। বৃহস্পতিবার বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ‘অমর একুশে গ্রন্থমেলার’ উদ্বোধন করতে যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক আনিসুজ্জামান। তিনি শেখ হাসিনার শিক্ষক। আর সেই অনুষ্ঠানেই ছাত্র-শিক্ষকের চির অমলিন শ্রদ্ধা-ভালবাসার সম্পর্ককে সম্মান দেখিয়ে নিজ শিক্ষকের জন্য লাল গালিচা ছেড়ে হাঁটার অনন্য নজির স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেই সম্মান প্রদর্শন দৃশ্যের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। এমন দৃষ্টান্তকে অনুকরণীয় বলেই মত সবার। আসলেই তো ছাত্র-শিক্ষকের সম্পর্কটা এমনই হওয়া হওয়া উচিৎ। 

কেন আবারো শেখ হাসিনা

ছবি
 আবারও শেখ হাসিনাকে দরকার  অর্থাৎ আওয়ামী লীগকে ভোট দিবেন কেন? আওয়ামীবিরোধীরা রীতিমতো তাদের নীলনকশার পরিকল্পনা নিয়ে এই প্রশ্নটি করার সঙ্গে-সঙ্গে কিছু অবান্তর ও বিভ্রান্তকর গল্পও জুড়ে দেয়। আওয়ামী বিরোধী মহলের অবান্তর ও বিভ্রান্তকর গল্পে না গিয়ে প্রশ্ন করতে চাই- আওয়ামী লীগ তথা নৌকা মার্কায় কেন ভোট দিবেন? কেন আবারও শেখ হাসিনাকে সরকারপ্রধান হিসেবে দেখতে চান? কেনই-বা আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে একাদশ জাতীয় সংসদ কার্যকর দেখতে চান? পিছনে ফিরে তাকালে দেখা যায়, মহান মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা হয়। হত্যা করা হয় জাতীয় চার নেতাকে। দীর্ঘ একুশ বছর স্বাধীন বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও জনগণের মৌলিক অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য আন্দোলন-সংগ্রাম করে অবশেষে ’৯৬ সালে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগ। বঙ্গবন্ধুবিহীন নেতৃত্বে তখনকার আওয়ামী লীগ সদ্য ফোঁটা শিশুর মতো সরকার পরিচালিত করেছিল তাঁরই কন্যা শেখ হাসিনা। আপন-পর চিনতে চিনতে আবারও রাষ্ট্রক্ষমতা হারাতে হয় আওয়ামী লীগকে। পরে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের শাসনামলে...

বাংলাদেশ জম্মের আতুঁরঘর,বাংলাদেশ ছাত্রলীগ

ছবি
শিক্ষা, শান্তি ও প্রগতির পতাকাবাহী সংগঠন, জাতির মুক্তির স্বপ্নদ্রষ্টা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে গড়া, জীবন ও যৌবনের উত্তাপে শুদ্ধ সংগঠন, সোনার বাংলা বিনির্মাণের কর্মী গড়ার পাঠশালা বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।বিদ্যার সঙ্গে বিনয়, শিক্ষার সঙ্গে দীক্ষা, কর্মের সঙ্গে নিষ্ঠা, জীবনের সঙ্গে দেশপ্রেম এবং মানবীয় গুণাবলির সংমিশ্রণ ঘটিয়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ অতিক্রম করেছে পথচলার ৬৯ বছর। ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি সময়ের দাবিতেই বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠা করেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সময়ের প্রয়োজন মেটাতেই এগিয়ে চলা বাংলাদেশ ছাত্রলীগের। জন্মের প্রথম লগ্ন থেকেই ভাষার অধিকার, শিক্ষার অধিকার, বাঙালির স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠা, দুঃশাসনের বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থান, সর্বোপরি স্বাধীনতা ও স্বাধিকার আন্দোলনের ছয় দশকের সবচেয়ে সফল সাহসী সারথি বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নেতা হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের মেধাবী ছাত্র বঙ্গবন্ধু বাংলা ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় রাজপথে ছিলেন সদা সোচ্চার। রাষ্ট্রভাষা হিসেবে উর্দু চাপিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদে ধর্মঘটে তিনি ও কয়েকজন সহকর্মীসহ গ্রেফতার হয়েছিলেন। ১৯...

কাজের স্বীকৃতি, জোরে আদায় করা লাগে না

ছবি
" সুন্দর ও পরিপূর্ণ কাপড়ে'ও কোন মানুষ তার কৃতকর্মের লজ্জা ঢাকতে পারে না " বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ দক্ষিণ এশিয়ার সর্ব বৃহৎ রাজনৈতিক সংগঠন,মহান স্বাধীনতার সশস্ত্র সংগ্রামে সফল তা স্বাধীনতার দীর্ঘ সময় পরেও চলমান,তবে দীর্ঘ সময়ের পরিক্রমায় এক ও অভিন্ন উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের পিছনে পড়ে থাকা ৭১তথাকথিত পরাজিত শক্তিদ্বয়ের স্মুক্ষ ষড়যন্ত্রের কারনে আওয়ামী সংগঠনে যেমন বেড়েছে অনুপ্রবেশ, তেমনি জ্যামিতিক হারে বেড়েছে সংগঠনের কোন্দল কিংবা গ্রুপিং। সংগঠনের চারপাশে জাতশত্রুদের লাগামহীন দেশিবিদেশি ষড়যন্ত্রের কারনে অনেক সময় মনে হয়, #গ্রুপিং কিংবা কোন্দল' তা বড় বিষয় নয়। তবে, দলের ক্রান্তিকাল সময়ে'ও সংগঠনের যাবতীয় সুযোগ সুবিধা ভোগ করে,জামাতি স্টাইলে বাঁশখালী তে আলহাজ্ব আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবু স্মরনে আয়োজিত স্মরন সভাও দোয়া মাহফিলে যোগদানরত বাঁশখালীর উপজেলা আওয়ামীলীগের দুসময়ের কাণ্ডারি, নিরলস সংগঠক,প্রিয় ব্যক্তি জননেতা আলহাজ্ব Abdullah Kabir Liton ভাই নেতৃত্বে বাঁশখালীর তৃনমূল আওয়ামীলীগ,যুবলীগ,ছাত্রলীগের বিশাল গাড়ী বহরে, "কতিপয় জামায়াত সমর্তিত...

বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণকে বিএনপি ইতিহাস থেকে ‍মুছে ফেলতে চেয়েছিলো

ছবি
বঙ্গবন্ধু এ একটি ভাষণের মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতিকে এক সারিতে দাঁড় করিয়েছিলেন Somuy.blogspot.com  বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণকে বিএনপি ইতিহাস থেকে ‍মুছে ফেলতে চেয়েছিলো বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। শনিবার (২৫ নভেম্বর) দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের (টিএসসি) মিলনায়তনে আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। ‘বজ্রকণ্ঠ: মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ প্রতিপাদ্য নিয়ে আলোচনা সভার আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।   ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দীন, শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. এএসএম মাকসুদ কামাল, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. রহমত উল্লাহ, রেজিস্টার এনামউজ্জামান প্রমুখ।   বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু এ একটি ভাষণের মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতিকে এক সারিতে দাঁড় করিয়েছিলেন। নিরস্ত্র বাঙালি জাতিকে সশস্ত্র বাঙালি জাতিতে রুপান্তরিত করেছিলেন। সেজন্য এ ভাষণ মুক্তিযুদ্ধে আমাদের প্রেরণার উৎস ছিলো। যতোদিন বাংলাদেশ থাকবে ততোদিন বঙ্গবন্ধুর মতোই তার এ ভাষণ এ দে...

BEST MAKEUP TUTORIALS COMPILATION - COOL MAKEUP TUTORIAL COMPILATION

ছবি

লিটন ভাইয়ের বিকল্ব কেবল লিটন ভাই

ছবি
দেশি-বিদেশী বহু ষড়যন্ত্রকে প্রতিহত করে বিশ্বদরবারে বাংলাদেশকে অনন্য মর্যাদায় অধিষ্টিত করা,বিশ্বমানবতার জননী বঙ্গকন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকারের সার্বিক উন্নয়নে প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষ প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টকারীরাও যখন সংগঠনের পাহাড় সমান পদ-পদবীতে আসিন হয়,তখন তাদের নৌকা কিনে মাঝি হওয়ার স্বপ্ন দেখাটা দোষের নয়।(যদি উন্নয়নের প্রতীকটি-কে পণ্য হিসেবে বিবেচিত হয়)/// সবকিছুর পর'ও বাস্তব সত্য বলতে, কষ্ট হয়,জাতির পিতার হাতেগড়া স্বাধীনতার স্বপক্ষের একমাত্র সংগঠনটির সাংগঠনিক গতিশীলতা দেখে। আমরা সাধারন কর্মী,অসাধারণ কিছু বলা-টা বরাবরই বেমানান। (বাঁশখালীঃ) সংসদীয় আসন ১৬,যেটি স্বদেশের জন্মলগ্ন থেকে আজ অবধি পর্যন্ত কারনে-অকারনে সমালোচিত, আলোচিত, থেমে থেমে খবরের শিরোনাম। কমবেশি সকলের অগোচরে,তবু আলোচনার প্রসঙ্গতায়............ যেমন, ★৭০এর নির্বাচনে জাতির পিতা নৌকা প্রতীকে যে দুটি আসনে বিজয় বঞ্চিত হয়েছেন,তারমধ্যে বাঁশখালী অন্যতম,যদিও অপর উপজেলাটি সাতকানিয়া। ★জাতির পিতা হত্যার ১ম প্রতিবাদকারী বাঁশখালীর সন্তান হওয়ায় তার তিনি মৃত্যুর পরও অবহেলিত। ★জাতীয় নির্বাচন বলত...

সংগঠন বিরোধী কর্মকাণ্ডসহ একাধিক কারনে ২০১৯সালের জাতীয় নির্বাচনে নৌকা পাচ্ছেন না যারা

ছবি
 জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য এবং ভোটে পাস করে আসতে পারবেন অন্তত একশ’ আসনে এমন এমপি প্রার্থী খুঁজছে আওয়ামী লীগ। দশম সংসদে নৌকা প্রতীকে এমপি হয়েছেন ২৩৪ জন। দুই এমপির মৃত্যুতে গাইবান্ধা-১ ও সুনামগঞ্জ-২- এ দুটি আসন ফাঁকা রয়েছে। আগামী নির্বাচনে বর্তমান সংসদের বিতর্কিত, দলীয় নেতাকর্মীদের পাশ কাটিয়ে চলেন, জনবিচ্ছিন্ন এমন প্রায় ৭০ এমপির কপালে নৌকার টিকিট জুটছে না। বিতর্কের মধ্যে না থেকেও কিছু এমপি মনোনয়ন পাবেন না- কারণ তাদের চেয়ে অনেক প্রতিশ্রুতিশীল প্রার্থীর সন্ধান রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর হাতে। আবার বিভিন্ন কারণে বিতর্কিত; কিন্তু ভোটে পাস করে আসার সমূহ সম্ভাবনা থাকায় অনেক বিতর্কিত এমপির হাতেও পুনরায় উঠতে পারে নৌকার টিকিট। দলের নেতারা জানান, আগামী নির্বাচনকে তারা খুব ‘সিরিয়াস’ মনে করছেন। তাই পাস করে আসতে পারবেন না এমন এমপিদের আগামী নির্বাচনে নৌকায় না তোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন দলীয় সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শুধু এমপিকেন্দ্রিক না হয়ে, তৃণমূলেও নির্বাচনী বার্তা পৌঁছে দিচ্ছেন দলীয় নেতারা। ২০১৯ সালের ৫ জানুয়ারির ৯০ দিন আগে- ডিসেম্বর বা নভেম্বরেই জাতীয় ন...

রোহিঙ্গা সমাধানে ইন্দোনেশিয়ার সহযোগীতা চান প্রধানমন্ত্রী

ছবি
বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশকে ‘বড় ধরনের সমস্যা’ উল্লেখ করে এর সমাধানে ইন্দোনেশিয়াকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদোর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এ আহ্বান জানান তিনি। ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর জোট ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশনের (আইওআরএ) ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জাকার্তায় অনুষ্ঠিত লিডার্স সামিটের এক ফাঁকে দুই নেতার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া মিয়ানমারের এই মুসলিম নাগরিকরা কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে শরণার্থী শিবিরগুলোতে রয়েছেন। সেখানে ৩০ হাজারের মতো শরণার্থী থাকার ব‌্যবস্থা থাকলেও রয়েছেন তিন লাখের মতো। শরণার্থী শিবিরের বাইরেও রয়েছেন আরও রোহিঙ্গা। সব মিলিয়ে এই সংখ‌্যা অন্তত ৫ লাখ বলে কিছুদিন আগে জানিয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। সম্প্রতি মিয়ানমারের রাখাইনে সেনা অভিযানের পর নতুন করে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচিত হচ্ছে। দুই নেতার বৈঠক শেষে পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক সাংবাদিকদের বলেন, “ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্...

এক বাংলাদেশীকে হত্যার অভিযোগে দুই মালয়েশিয়ান অভিবাসন কর্মকর্তাকে ফাঁকার আদেশ দিয়েছে মালয়েশিয়ান আদালত

ছবি
এক প্রবাসী বাংলাদেশিকে হত্যার দায়ে দুই মালয়েশিয়ান অভিবাসন কর্মকর্তাকে দোষী সাব্যস্ত করে ফাঁসির আদেশ দিয়েছে সে দেশের আদালত। শুক্রবার মালয়েশিয়ার উচ্চ আদালতের জুডিশিয়াল কমিশনার আবু বকর কাতার স্থানীয় আইনের ফৌজদারি দণ্ডবিধি ৩০২ ধারা অনুসারে এই ‘বাধ্যতামূলক ফাঁসির সাজা’র রায় দেন। মালয়েশিয়ান পত্রিকা নিউ স্ট্রেইটস টাইমস, মালয়েশিয়া আপডেইটস ও দ্যা স্টার অনলাইনসহ বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে খবরটি গুরুত্ব সহকারে ছাপা হয়েছে। মৃত্যুদণ্ডাদেশ পাওয়া দুই মালয়েশিয়ান নাগরিকের নাম আমিনুদ্দিন মোহাম্মদ ইয়াসিন ও যুহাইরুল আফান্ডে জুলকাফলি। দু’জনই মালয়েশিয়ার অভিবাসন কর্মকর্তা ও দু’জনের বয়স ৩৫ বছর। ২০১৪ সালের ২৯ অক্টোবর রাতে আবু বকর সিদ্দিক (৪৫) নামে আটক বাংলাদেশিকে হত্যার অপরাধ দেখানো হয় এই দুই অভিবাসন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে। অভিবাসন কর্মকর্তারা আবু বকর নামের ওই ‘অবৈধ’ বাংলাদেশিকে হাজতে বন্দি অবস্থায় শারীরিক নির্যাতন করেন ও পেরলিস স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় কার্যালয়ে তা সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়ে। এক পর্যায়ে আবু বকর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় ও ২০১৪ সালের ৪ নভেম্বর মারা...

ফেনীতে এমপির জনসভায় বোমা হামলা ও অগ্নিসংযোগ

ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারী এমপির অনুষ্ঠান মঞ্চে অগ্নিসংযোগ ও বোমা হামলার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার দুপুরে মঞ্চের পাশে কয়েক যুবক পরপর তিনটি বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়ে যায়। এর আগে শুক্রবার মধ্যরাতে দুর্বৃত্তরা ফেনী শহরের রামপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান মঞ্চে আগুন দেয়। শনিবার বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বিদ্যালয় কতৃপক্ষ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি করা হয় ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারীকে। ফেনী মডেল থানার ওসি মো. রাশেদ খান চৌধুরী জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

অবশেষে মাঠা গড়াচ্ছে বিসিএল

ছবি
দেখতে দেখতে শেষ হয়ে এলো বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগ (বিসিএল)’র এবারের আসর। গত ২৮ জানুয়ারি মধ্যাঞ্চল-পূর্বাঞ্চল ও উত্তর-দক্ষিণাঞ্চলের মধ্যকার ম্যাচ দিয়ে শুরু হওয়া এই আসরের শেষের শুরু হচ্ছে রোববার (৫ মার্চ)। চারদিনের ম্যাচে বিকেএসপি’র ৩ নাম্বার মাঠে মধ্যাঞ্চলকে মোকাবেলা করবে দক্ষিণাঞ্চল। দিনের অপর ম্যাচে ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামে পূর্বাঞ্চলের প্রতিপক্ষ উত্তরাঞ্চল। ভিন্ন দুটি ভেন্যুতে ম্যাচ দুটো শুরু হবে সকাল সাড়ে ৯টায়। শেষ রাউন্ডের ম্যাচে অবশ্য শিরোপার লক্ষ্যেই মাঠে নামবে জহুরুল ইসলামের উত্তরাঞ্চল। ৫ ম্যাচ শেষে ২ জয় ও ৩ ড্র’য়ে, ১৯ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে থেকে শিরোপার সুবাস পাওয়া উত্তরাঞ্চল এই ম্যাচটি ড্র করতে পারলেই বাধভাঙা উল্লাসে মেতে উঠতে পারবে। অবশ্য শিরোপা জয়ের হাতছানি থাকছে দক্ষিণাঞ্চল শিবিরেও। তবে কাজটি সহজ নয়। কেননা, ৫ ম্যাচে ১ জয় ও ৪ ড্র’য়ে, ১৩ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দুইয়ে থাকা দক্ষিণাঞ্চলের জন্য শিরোপা জিততে হলে অবশ্যই উত্তরাঞ্চলকে হারতে হবে। তা না হলে, টেবিলের দুইয়ে থেকেই শেষ করতে হবে এবারের মৌসুম।