নাশকতার চেষ্টা হলে তা প্রতিরোধে ১৫ হাজার গজারি লাঠি তৈরি আছে
বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার দুর্নীতির মামলার রায়ের দিন কোন নাশকতার চেষ্টা হলে তা প্রতিরোধে ১৫ হাজার গজারি লাঠি তৈরি আছে
বলে হুঁশিয়ারি এসেছে পরিবহন মালিক সমিতির পক্ষ থেকে।
রায়ের দুই দিন আগে মঙ্গলবার রাজধানীর রাজউক এভিউনয়ে বিআরটিসি ভবনের সভাকক্ষে ঢাকা পরিবহন মালিক সমিতির উদ্যোগে মালিক-শ্রমিক যৌথ সভায় এই হুঁশিয়ারি উঠে আসে।
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্যাহ বলেন, বিএনপি নেতাদের গর্জনে আমরা আশঙ্কা করছি সেইদিন নাশকতা করবে তারা। কারণ, অতীতের কঠোর জবাব আমরা দেখেছি, তাদের আন্দোলন মানে জ্বালাও পোড়াও।
তবে এই রায়কে ঘিরে যদি কোনো ধরনের নাশকতা করার চেষ্টা করা হয় তবে মালিক শ্রমিক মিলে গজারি লাঠি দিয়ে তার জবাব দেয়া হবে।
আর আন্দোলনে নামলে বিএনপি যানবাহনে নাশকতা করতে পারে বলেও আশঙ্কা পরিবহন মালিকদের নেতা খন্দকার এনায়েতের। তিনি বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াতের কঠোর আন্দোলন গাড়ি পোড়ানো, গাড়িতে পেট্রল বোমা মারা। তাদের কঠোর আন্দোলন হচ্ছে জ্বালাও পোড়াও করা। তাদের গর্জন দেখে আমরা আশঙ্কা করছি সেদিন নাশকতা করবে তারা।
রায়ের দিন নাশকতা এড়াতে রাজধানীর গুলিস্তান, মহাখালী, ফুলবাড়িয়া ও সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে পরিবহন মালিক-শ্রমিক অবস্থান নেবেন বলে জানানো হয় সভায়।
২০১৪ সালের নির্বাচন ঠেকাতে এবং ২০১৫ সালে সরকার পতনের ডাকে বিএনপি-জামায়াত জোটের আন্দোলনে ব্যাপকভাবে যানবাহনে পেট্রল বোমা হামলা হয়েছিল। তবে এর মধ্যেও পরিবহন মালিকরা ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চালিয়েছেন আর তাদের কারণেই মূলত ২০১৫ সালে বিএনপি-জামায়াত জোটের অবরোধ ও হরতাল ভেঙে পড়ে।
আগামী বৃহস্পতিবার দুর্নীতি মামলার রায়ে খালেদা জিয়ার সাজার আশঙ্কা করছে বিএনপি। আর তাদের নেত্রীকে কারাগারে নিলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও এসেছে।
বলে হুঁশিয়ারি এসেছে পরিবহন মালিক সমিতির পক্ষ থেকে।
রায়ের দুই দিন আগে মঙ্গলবার রাজধানীর রাজউক এভিউনয়ে বিআরটিসি ভবনের সভাকক্ষে ঢাকা পরিবহন মালিক সমিতির উদ্যোগে মালিক-শ্রমিক যৌথ সভায় এই হুঁশিয়ারি উঠে আসে।
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্যাহ বলেন, বিএনপি নেতাদের গর্জনে আমরা আশঙ্কা করছি সেইদিন নাশকতা করবে তারা। কারণ, অতীতের কঠোর জবাব আমরা দেখেছি, তাদের আন্দোলন মানে জ্বালাও পোড়াও।
তবে এই রায়কে ঘিরে যদি কোনো ধরনের নাশকতা করার চেষ্টা করা হয় তবে মালিক শ্রমিক মিলে গজারি লাঠি দিয়ে তার জবাব দেয়া হবে।
আর আন্দোলনে নামলে বিএনপি যানবাহনে নাশকতা করতে পারে বলেও আশঙ্কা পরিবহন মালিকদের নেতা খন্দকার এনায়েতের। তিনি বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াতের কঠোর আন্দোলন গাড়ি পোড়ানো, গাড়িতে পেট্রল বোমা মারা। তাদের কঠোর আন্দোলন হচ্ছে জ্বালাও পোড়াও করা। তাদের গর্জন দেখে আমরা আশঙ্কা করছি সেদিন নাশকতা করবে তারা।
রায়ের দিন নাশকতা এড়াতে রাজধানীর গুলিস্তান, মহাখালী, ফুলবাড়িয়া ও সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে পরিবহন মালিক-শ্রমিক অবস্থান নেবেন বলে জানানো হয় সভায়।
২০১৪ সালের নির্বাচন ঠেকাতে এবং ২০১৫ সালে সরকার পতনের ডাকে বিএনপি-জামায়াত জোটের আন্দোলনে ব্যাপকভাবে যানবাহনে পেট্রল বোমা হামলা হয়েছিল। তবে এর মধ্যেও পরিবহন মালিকরা ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চালিয়েছেন আর তাদের কারণেই মূলত ২০১৫ সালে বিএনপি-জামায়াত জোটের অবরোধ ও হরতাল ভেঙে পড়ে।
আগামী বৃহস্পতিবার দুর্নীতি মামলার রায়ে খালেদা জিয়ার সাজার আশঙ্কা করছে বিএনপি। আর তাদের নেত্রীকে কারাগারে নিলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও এসেছে।

মন্তব্যসমূহ