বাঁশখালীতে আ'লীগের চেয়ে বহুগুণ এগিয়ে জামায়াত শিবির
বাঁশখালী এমন উপজেলার নাম,যেখানে মিছিল মিটিং বা জনসভার দিকে দৃষ্টি রাখলেই মনে হবে,বাঁশখালী আ'লীগের বহু পুরাতন একটি ঘাটি।যেখানে আপাতত দৃষ্টিতে মনে হবে,১০০জন ব্যক্তির মধ্যে ৯০জনই আ'লীগ।।
তবে খুব একটা কাছ থেকে যখন সমাগম ব্যক্তিদের উপর দৃষ্টি রাখবেন,তখনই সব এক নিমিষে বিষের মতো মনে হবে আপনার।
কেননাঃ যখনই আপনার চোখের সামনে তান্ডব চালানো সেই পিকেটার-টি আজ জয়বাংলার স্লোগান দিতে এসেছে।বিষ বলছি এই কারনে যে,
এই পিকেটার-টির আগমন যে কেবল আমার/আপনার প্রতিপক্ষ জয়বাংলার স্লোগানে রাজপথে থাকা সেই ভাইটির মাথা পাঠাতে এসেছে।তার কাজ-ই যে এটি,সেটা পেলে আসা অতীত গুলো থেকে শিক্ষা পেয়েছি।
যদি কারো ভাবনায় থাকে,বাঁশখালী মানে কেবল জামায়াত বিএনপির আঁতুরঘর।তবে আমি বলবো,বাঁশখালী কখনো জামায়াত বিএনপির আতুঁরঘর ছিলো না,বরং আমরা-ই যেন বার বার উপহার হিসেবে প্রিয় উপজেলাটি জামায়াত বিএনপির হাতে তুলে দিয়েছি।
এইটা ওদের ভালো বা জনকল্যাণ মুলুক কাজের প্রতিদানে নয়,
বাঁশখালী উপজেলা আওয়ামীলীগের সঠিক নির্দেশনা ও অভ্যন্তরীন কোন্দলের মাত্রাতিরিক্ত প্রভাবটা-ই একমাত্র দায়ী।
বাঁশখালী সংসদীয় আসনঃ১৬,যেখান থেকে শুধু জামায়াত বিএনপির নেতার তান্ডব আর এগিয়ে যাওয়ার চিত্রের জম্ম হয়নি।
এখানে জম্ম হয়েছে,একাধিক এমন সব বিখ্যাত ব্যক্তিবর্গের,যাদের নেতৃত্বে এক সময় মুখরিত হয়েছে কেন্দ্র, জেলা, মহানগর আওয়ামীলীগ,যুবলীগ,ছাত্রলীগের জন্য স্বর্নযুগ আখ্যায়িত, উভয় প্রাপ্তিতে ঘেরা অতিক্রম করে আসা অধ্যায় সমুহের।
শুনেছি মানুষ থেকে শুরু করে সংগঠন পর্যন্ত প্রতিটি জনকল্যাণ মুলুক প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের উন্নতি ঘটেছে অনেকটা ধাপে ধাপে।
তবে আপনাদের কাছে আমার প্রশ্নঃ
এই কেমন উন্নতি হয়েছে বাঁশখালী উপজেলা আওয়ামী সংগঠনের?
যে অদৃশ্য শক্তির কাছে প্রতিদন্ধিতার পূর্বেই ধাপে ধাপে জারতে হারতে আজ চূড়ান্ত অবনতি বাস্তব চিত্র দেখছি।
হয়তো সংগঠনকে ভালবাসেন বলেই,অনেকেই হয়তো স্বীকার করবেন না,তারপরও বলতে হচ্ছে,বাঁশখালীত
ে আওয়ামীলীগের চেয়ে বহুগুণ সাংগঠনিক তৎপরতায় এগিয়ে জামায়াত শিবির।।
এই ব্যতিক্রম চিত্রের জম্মের পিছনে নিশ্চয় রয়েছে কোন বিশেষ কোন প্রভাব বিস্তারকারী উপাদান??
আমরা এমনই মুজিব সেনা,যেখানে নিজ দলের নেতাকর্মী পিঠাতে উৎসাহবোধ করি,তার নূন্যতম কোন ক্ষুদ্রের অংশের মধ্যেও স্থান হয় বিএনপি জামায়াতের ক্যাডারদের নাম।
কেনই বা থাকবে,গ্রুপিং রাজনীতিতে নিজেদের আধিপত্য বিস্তারে,যেসব অতিথিদের আগমন ঘটানো হয়েছে,আসলে একবারও কি আমরা ভেবে দেখেছি,ছাত্রলীগের মাথা পাঠাতে এরা এতো উৎসাহবোধ করে কেন??
কখনো কি কেউ ভেবেছেন,উন্নতির পরিবর্তে এতোটা অবনতির ঘূন্য সেই রহস্যটা কি?
যেখানে আমাদের চিরপ্রতিদন্ধি হওয়ার কথা, আমাদের আদর্শের বিপরীত মেরুর যেকোন সংগঠনের সাথে।
সেখানে আমরাই পাঠিয়ে বসি নিজেদের মাথা,যে কিনা একবার প্রাপ্ত ভোটাধিকার নৌকায় শীল মেরে শুরুর করার প্রহর গুনছে। হয়তো আমাদের নিয়ম নীতির ভলয়য়ের কারনে একটি ভাই অনিচ্ছা শর্তে নিজেকে দূরে সরিয়ে নিয়েছে।।
চোখ রাখুন সেইসব প্রতিপক্ষের উপর, যাদের সাথে আমাদের আদর্শগত যোজন যোজন পাথর্ক্য রয়েছে।লক্ষ্য করবেন,,
যেখানে ভিন্ন আদর্শের সংগঠন সমুহ নিজেরাই আজ নিজেদের নিয়ে ব্যবস্ততম সময় পার করছেন,সেখানে আমাদের (আ'লীগের)সংগঠন নিয়ে এতো হতাশায় আক্রান্ত হওয়ার কথা নয়।
কেউ বলতে পারেন?
কোন অদৃশ্য শক্তির কাছে দিন দিন হারতে হারতে এমন কিছু নাম পরিচয়ধারী নেতার কর্মকান্ডে জুনিয়র থেকে সিনিয়র,কমবেশি সবাই ভবিষ্যৎ রাজনীতি নিয়ে আজ উদ্ভিগ্ন,হতাশাগ্রস্ত।
একটি বার কোন্দলকে তুচ্ছ ভেবে নিজেই নিজেই ভাবতে শুরু করেন তো?
আমাদের লাভ ক্ষতির চূড়ান্ত হিসেবটির ফলাফল কতটা কষ্টদায়ক হয়??
রাজনীতিতে এমন কিছু কার্যকলাপ দেখে মনে হচ্ছে,
নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করতে গিয়ে সেইসব ব্যক্তিবর্গের সমযোতায় মিলিত হয়েছে,
যারা মৃত্যুর আগ পর্যন্তরীন আ'লীগ সংগঠনকে ভালবাসা তো বহু দূরের কথা,
সুযোগ পেলে তা সমযোতাবানীর বুকেও চাকু চালাতে দ্বিধাবোধ করবে না কখনো।
সব বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে নয়।দলগত বা বিশেষ কোন গোত্র বা সংগঠনের কোন বিশেষ লক্ষ্যকে প্রাধান্য দিয়ে নিজেই ভাবনায় আনুন, আপনার সেই প্রাণের সংগঠনটির বাস্তব চিত্রখানা।আমি নিশ্চিত করেই বলতে পারি,নিজেদের ব্যর্থতার চিত্র গুলো খুব সহজেই চোখের ফুটে উঠবে।
সবকিছুর বাহিরে এসেও আমাদের সকলের জেনে রাখা উচিত! # সংগঠন বাঁচলে আপনি/আমরা বাঁচবো।সংগঠন বাঁচলে প্রিয় নেত্রী বাঁচবেন,
বঙ্গপিতার সুযোগ্য কন্যা,জননেত্রী শেখ হাসিনা-বিহীন শুধু আওয়ামীলীগের নেতাকর্মী নয়,স্বাধীনতার স্বপক্ষের কোন ব্যক্তি বিশেষও এই বাংলায় নিরাপদ নয়,,আমি আপনি সকলের হবে একই পরিনতি।
আপনার/আপনাদের ভাবনায় বুঝি আসে না কখনো,সেইসব চিত্রের ভয়াবহতা-টুকু।
জেনে নিন,রাজপথে যারা ব্যর্থ হয়ে কৌশলে বঙ্গপিতার হাতেগড়া সংগঠনের অস্থিত্ব বিনাশের মিশন চলছে,সেখানে আমরাই যদি উক্ত মিশন বাস্তবায়নের অসম্ভব কার্য গুলো তাদের হয়ে সম্পূর্ণ করি।
তবে কিবা করার থাকে আমাদের মতো নগন্য সমর্থকদের। ভবিষ্যৎ এর ভাবনায় যাদের প্রতিনিয়ত নিমগ্ন থাকা উচিত। তারাই যখন উদাসীনতার পরিচয়ে নিজেদের ব্যস্ত করে রাখেন,
তাহলে সকলের জ্ঞার্থে বলতে পারি,নিজেরা নিজেদের পথ রুখতে রুখতে এক সময় নিজেরাই হারিয়ে বসতে পারি নিজের শেষ অস্থিত্বটুকুর।
যেখানে নিজেদের কার্যকলাপের কারনে ব্যর্থতা ছাড়া বিকল্প কিছু উপহার পায় না সংগঠন নামক,আমাদের পরিচয়-বাহক অমূল্য সেই শব্দটির।
যতটুকু জেনেছি,আর অনুভব করেছি,তাতেই সুস্পষ্ট-ভাবে বলতে পারি,যারা সংগঠন থেকে ধারাবাহিক প্রাপ্তির প্রতিদানে, সংগঠনের নিকট প্রতিশ্রুতি-বদ্ধ দলীয় স্বার্থটির কথা ভুলে গিয়ে নিজের পকেট মেরামতে তৎপর থাকে,তাদের বহনকৃত রাজনৈতিক পরিচয় বলতে নীল নকশার বাস্তবায়নে জন্য অংকিত কৌশলের যথাপোযুক্ত ব্যবহার।
কাজেই সামনের দিনগুলো হয়তো এক একটা সময়,একটা যুদ্ধক্ষেত্র হিসেবে হাজির হবে আমাদের প্রতিটি নেতাকর্মীর জন্য।
হয়তো প্রতিটিটা মুহুত্ব হবে ঠিকে থাকার লড়াই,এখনো হাতে পর্যাপ্ত সুযোগ রয়েছে,নিজেদের সংশোধন নামক শব্দটির সাথে পরিচয় হওয়ার।
আর যদি হেলায় অবহেলায় নিজেদের সাথে নিজেরাই যুদ্ধ ঘোষনা করি,তাহলে ধরে রাখুন,,,,,,
আজ বা অতিক্রম করে আসা প্রতিটি দিন,প্রতিটি সময়ের জন্য,অপেক্ষামান বা পরবর্তী প্রত্যেকটা দিন অনুসুচনায় ভোগতে হবে,যার কালো থাবা থেকে কোন মুজিব সেনা রক্ষা পাবে বলে অন্তত আমি মনে করি না।
আমি /আপনি/আমরা/আমাদের সকলকেই সময়ের পরিপেক্ষিতে আজ যদি মন মানসিকতার পরিবর্তন ঘটাতে ব্যর্থতার পরিচয় দিই,তবে প্রিয় সংগঠনের করুন চিত্র গুলো দাড়িয়ে দাড়িয়ে দেখা ছাড়া আর কোন উপায় মাধ্যমের জম্ম হবে না।
কাজেই সময় থাকতে নিজেদের ভুল গুলো শুধরিয়ে নিন,নাহলে আমরা যারা সংগঠনের তৃনমূল নেতাকর্মি রয়েছি,তারা ঐক্যবদ্ধভাবে সংগঠনের সাথে বেঈমানি কারীদের বাঁশখালীর মাঠি হতে প্রতিহত করার মিশন আপনা আপনা শুরু হবে,যা কারে রুখে দেওয়ার সাধ্য কারো হাতে থাকবে না।
ও,হা।
সবকিছুর পরও একজন নগন্য কর্মীর সংগঠনের প্রতি দায়-দায়িত্ব আর কর্তব্য সম্পর্কে আমাদের বরাবরই দিয়েছেন একটাই শিক্ষা।
আর তা হলে,সংগঠনের সাথে বেঈসানী নয়,সংগঠন বাঁচলে,আমি বাঁচবো। সর্বোপরি রাজপথে যেকোন কঠিন বাস্তবতার মুখামুখি দাড়িয়েও,জাতির জনকের হাতেগড়া সংগঠনের সাথে কোনরুপ প্রতারনা নয়।
প্রয়োজনে এমন একটি নজির স্থাপন করো,যাতে তুমি-ই হতে পারো,পরবর্তী কারো নিকঠ আদর্শ-বাস্তবায়নের মডেল। আর আমার মতো একজন ক্ষুদ্র রাজনৈতিক কর্মীর কাছে,এইটা একটা বানী। তড়িৎ এর ন্যায় ছুটে চলার প্রেরনার উৎস।
হে প্রিয় অভিবাবক,
জাতির জনকের স্বপ্ন বাস্তবায়নের নিরুলস সাধক,জননন্দিত নেতা অালহাজ Abdullah Kabir Liton ভাই,আপনাকে জানাই অন্তরের অন্তরস্থল অকৃত্রিম ভালবাসা ও বিনম্র শ্রদ্ধা।
আসুন,
সংগঠনকে ভালবাসি,সংগঠনের প্রয়োজনে নিজেদের দায়-বদ্ধতার হিসেব-খানা পরিশোধ করি।তবেই জাতির পিতার কাংঙ্খিত স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমরাই এগিয়ে যাবো অপ্রত্যাশিত নয়,বরং প্রত্যাশিত-ভাবে বহুদূর।
জয়বাংলা,জয়বঙ্গবন্ধু।
জয়েতু শেখ হাসিনা।
জয়হোক,প্রিয় নেতা আব্দুল্লাহ কবির লিটন ভাইয়ের।


মন্তব্যসমূহ