শুধু মেডামের জন্য এখনো রাজনীতি করছি,তারেকের অধীনে রাজনীতি করার প্রশ্নই আসেনা
স্বঘোষিত দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হয়েই সিনিয়র নেতাদের ধমকে দিলেন তারেক জিয়া। সিনিয়র নেতাদের সতর্ক করে বললেন, ‘কেউ যদি ষড়যন্ত্র করে, বিশ্বাসঘাতকতা করে, তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বৃহস্পতিবার রাতভর তারেক দলের স্থায়ী কমিটির বিভিন্ন নেতার সঙ্গে কথা বলেন, দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে কথা বলেন একাধিকবার। বিএনপির স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য তারেকের এই তৎপরতাকে বাড়াবাড়ি বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, ‘বিএনপির এই সংকটে সবাইকে একসঙ্গে নিয়ে চলার কোনো লক্ষণ তারেকের মধ্যে নেই।’
বিএনপির স্থায়ী কমিটির আরেকজন সদস্য তারেকের ফোনের কথা স্বীকার করে বলেন, ‘ছেলেটা একটা আস্ত বেয়াদব। আদব কায়দার লেশমাত্র নেই। ওর বাবার সঙ্গে রাজনীতি করেছি। আমাকে আগে
আঙ্কেল বলতো এখন নাম ধরে ডাকে।‘ দু:খ করে তিনি বলেন, ‘চারক বাকরের সঙ্গে যেভাবে কথা বলে সেভাবেই আমাদের সঙ্গে কথা বলে তারেক।’ দলের প্রবীণ ওই নেতা বলেছেন, ‘শুধু ম্যাডামের জন্যই এখনো রাজনীতি করছি। তারেকের অধীনে রাজনীতি করার প্রশ্নই আসে না।‘
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, তারেকের ফোন দলের নেতাদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। একজন ব্যবসায়ী নেতা তারেককে মাথা গরম না করে ঠান্ডা মাথায় কাজ করতে বলেছেন। তারেককে বলেছেন, ‘এভাবে রাজনৈতিক দল চালানো যাবে না।’
অন্যদিকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্তত দুজন সদস্য লে. জে. (অব.) মাহাবুবুর রহমান এবং ড. খন্দকার মোশারফ হোসেন তারেককে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে স্বীকৃতি দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। জেনারেল মাহাবুব বলেছেন, ‘গঠনতন্ত্রে এরকম কোনো বিধান নেই। তাছাড়া তারেক নিজেই তো দেশে নেই। বিএনপির মতো একটি রাজনৈতিক দলকে বিদেশ থেকে নেতৃত্ব দেওয়া অবাস্তব চিন্তা।’ সূত্রমতে, দলের সিনিয়র নেতারা কম বেশি সবাই এ ব্যাপারে অভিন্ন অবস্থানে আছেন। তারা মনে করেন, তারেকের নেতৃত্ব গ্রহণের কোনো সুযোগ নেই। বেগম জিয়ার কারাজীবন সাময়িক বলে মনে করছেন বিএনপির নেতৃবৃন্দ। বেগম জিয়া জেল থেকে বোরোনোর আগ পর্যন্ত যৌথ নেতৃত্বে দল পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সিনিয়র নেতারা।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির আরেকজন সদস্য তারেকের ফোনের কথা স্বীকার করে বলেন, ‘ছেলেটা একটা আস্ত বেয়াদব। আদব কায়দার লেশমাত্র নেই। ওর বাবার সঙ্গে রাজনীতি করেছি। আমাকে আগে
আঙ্কেল বলতো এখন নাম ধরে ডাকে।‘ দু:খ করে তিনি বলেন, ‘চারক বাকরের সঙ্গে যেভাবে কথা বলে সেভাবেই আমাদের সঙ্গে কথা বলে তারেক।’ দলের প্রবীণ ওই নেতা বলেছেন, ‘শুধু ম্যাডামের জন্যই এখনো রাজনীতি করছি। তারেকের অধীনে রাজনীতি করার প্রশ্নই আসে না।‘
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, তারেকের ফোন দলের নেতাদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। একজন ব্যবসায়ী নেতা তারেককে মাথা গরম না করে ঠান্ডা মাথায় কাজ করতে বলেছেন। তারেককে বলেছেন, ‘এভাবে রাজনৈতিক দল চালানো যাবে না।’
অন্যদিকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্তত দুজন সদস্য লে. জে. (অব.) মাহাবুবুর রহমান এবং ড. খন্দকার মোশারফ হোসেন তারেককে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে স্বীকৃতি দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। জেনারেল মাহাবুব বলেছেন, ‘গঠনতন্ত্রে এরকম কোনো বিধান নেই। তাছাড়া তারেক নিজেই তো দেশে নেই। বিএনপির মতো একটি রাজনৈতিক দলকে বিদেশ থেকে নেতৃত্ব দেওয়া অবাস্তব চিন্তা।’ সূত্রমতে, দলের সিনিয়র নেতারা কম বেশি সবাই এ ব্যাপারে অভিন্ন অবস্থানে আছেন। তারা মনে করেন, তারেকের নেতৃত্ব গ্রহণের কোনো সুযোগ নেই। বেগম জিয়ার কারাজীবন সাময়িক বলে মনে করছেন বিএনপির নেতৃবৃন্দ। বেগম জিয়া জেল থেকে বোরোনোর আগ পর্যন্ত যৌথ নেতৃত্বে দল পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সিনিয়র নেতারা।

মন্তব্যসমূহ