বাংলাদেশের পরিচিতির পরিধি বাড়ছে বিশ্বদরবারে
আপনার দলের নেত্রীকে যদি এমন একটি জায়গায় বক্তৃতা দিতে দেখেন তখন আপনার অনুভুতি কেমন হয়, সত্যিকরে বলুন তো দেখি। বিশ্বের কয়টি দলের নেতা/নেত্রী এই স্থানে বক্তব্য দেয়ার সুযোগ পায়? কিসের সাথে কিসের তুলনা করি আমরা প্রত্যহ, কেন করি,তাঁরা কারা,খোঁজ খবর নিয়েছেন কেউ?নেননি- তাঁরা আমাদের মাঝে ডুব দিয়ে থাকা নৈরাশ্যবাদি গুটিকয়েক মুজিব সৈনিক। যারা সারা দেশ থেকে জড়ো হওয়া হাজার হাজার হেফাজতি রাজপথে দেখে দেশ ছেড়ে পালায়,একবারও চিন্তা করেনা ১৬কোটি মানুষের দেশে তাবিজ বিক্রেতার- তাবিজের গুনগান শুনার জন্যেও হাজার মানুষের ভিড় জমে।
প্রতি গ্রামে একাধিক মাদ্রাসার অস্তিত্ব থাকা সত্বেও সাধারন মানুষের আস্থা অর্জন করতে পারেনি,ধবধবে পাঞ্জাবি,মাথায় পাগড়ি,হাতে লাঠি, দুই আঙ্গুলের চিপায় মেচওয়াক,অকল্পনীয় এবাদত সত্বেও নৈরাশ্যবাদে বিশ্বাসি বিধায় প্রকৃত আল্লাহর বান্দা-নবীজির প্রতি প্রগাড়বিশ্বাসী উম্মত, ইমানদার মসুলমানগন তাঁদেরকে গ্রহন করেনা।
অশিক্ষিত, বেঘোরে মদখোর, নিত্য শয্যাসঙ্গি বদলকারিনী, কালটাকা সাদা- যে নেত্রী করতে পারে তাঁর সাথে তুলনা করি। আওয়ামীলীগ দীর্ঘবছর ক্ষমতায় ছিলনা-মানষিক শান্তিতে ছিলাম না-এইতো? ক্ষমতায় আছে মানষিক শান্তি পাচ্ছি-ধীরে হলেও জাতির জনকের আদর্শ বাস্তবায়িত হচ্ছে,দেশ উন্নত হচ্ছে,বাংলাদেশের পরিচিতির পরিধি বাড়ছে।
খমতা চিরস্থায়ি বন্দোবস্তি নয়--স্থানীয় নেতাদের দুবৃত্তায়নে ক্ষমতাচ্যুত হলে তাঁরাই দেশত্যাগে বাধ্য হবে।প্রকৃত রাজনীতিবীদ, মুজিব আদর্শের সৈনিকেরা অতীতে খুনীরা খমতা দখল করার পরও দেশ ছেড়ে যায়নি,। অথর্ব, আশিক্ষিত,ব্যভিচারিনী বা তাঁরচেয়ে ও খারাপ কেউ এলে দেশছেড়ে যাবেনা। রাজনীতির ধারাবাহিকতায় গনতান্ত্রিক আন্দোলনের মাধ্যমে জনগনকে সম্পৃত্ত করে আবার খমতায় আসবে।তাই বলে জনপ্রিয়তা যাচাইয়ের অজুহাতে প্রত্যহ একাধিক বার জাতির জনকের কন্যাকে একজন রাষ্ট্রীয় কর্মচারির ব্যভিচারিনী স্ত্রীর সাথে তুলনা কি মুজিব আদর্শে বিশ্বাসী কোন পেইজবুকার করতে পারি?
প্রত্যেক পাবলিক গ্রুপের সম্মানীত এডমিন বন্ধুদের প্রতি সবিনয় অনুরুধ,উক্তরুপ কোন পোষ্ট গ্রুপে অনুমোদন দিবেন না। এইব্যাপারে কারো যদি উপকার -অপকার সম্পর্কে ভাল যুক্তি থাকে আমার পোষ্ট ডিলেট করতে আপত্তি করবনা।
' জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু'
মন্তব্যসমূহ