তৃনমূল মুজিব প্রেমিদের স্বপ্ন সারথি
"আলহাজ্ব আবদুল্লাহ কবির লিটন" স্রোতের প্রতিকুলে সকল বৈরিতাকে তুচ্ছকরে জননি জন্মভুমি কে ভালবেসে জনকের আদর্শে জনকের সংগঠন কে সংগঠিত করে অবহেলিত তৃনমূল কর্মিদের পুনরায় সংগঠন মুখি করার লড়াইয়ে বিপ্লবী একটি নাম।কোন পদ নেই,পদবি নেই,সরকারি হালুয়া রুটি,(টিআর,কাবিখা) নেই তবুও দুই যুগের অধিক সময় ধরে, নিজের কষ্টার্জিত অর্থ ব্যয় করে প্রাণের সংগঠনকে সংগঠিত করার প্রয়াস চালাচ্ছেন যা বর্তমান ভোগবাদী রাজনীতিতে বিরল।
আজকে অনেক ভোগবাদী, অাদর্শ বিবর্জিত নেতা দম্ভ করে বলেন "লিটন" আওয়ামীলীগের কেউনা কিন্তু তারা জানেনা বঙ্গবন্ধুর কালজয়ী আদর্শ চর্চায় কারো সার্টিফিকেট বা পরিচয় পত্র লাগেনা।
Abdullah Kabir Liton বিশ্বাস করেন আওয়ামীলীগ করতে পদ-পদবি লাগেনা।জনক, জন্মভুমির প্রতি ভালবাসায় যথেষ্ট।তিনি বিশ্বাস করেন আওয়ামীলীগ বাঁচলেই বাঁচবে বাংলাদেশ,সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে ৫৬ হাজার বর্গমাইলের মানচিত্র।শ্যামল বাংলার রক্তেভেঁজা পলি মাটিতে উড়বে লাল- সবুজের পতাকা।ধর্মান্ধ শুকুনেরা কখনো মাথা তুলতে পারবেনা কথিত দ্বি-জাতি তত্বকে মিথ্যা প্রমান করে স্বাধীনতা ছিনিয়ে আনা বাঙালীর আবাসভুমি এ বাংলাদেশে।নেতৃত্বের ব্যর্থতায় এবং কথিত সওদাগরি নেতৃত্বের কালোটাকার নেশায় যখন বাঁশখালী আওয়ামীলীগ বিপর্যস্ত,ত্যাগি কর্মিরা যখন সংগঠন বিমুখ,কথিত নেতাদের হামলা,মামলায় যখন নিগৃহীত জনকের আদর্শিক সন্তান, ঠিক তখনি উত্তাল সাগরে একখন্ড ভেলা হয়ে ডুবন্ত মুজিব পরিবারকে বাঁচাতেই বাঁশখালীর রাজনীতিতে লিটন ভাইয়ের আগমন।হ্যামিলনের বাঁশি ওয়ালার মত যাদুকরি সুরে বিনি সুতোর মালায় গেঁথে ঐক্যবদ্ধ করেছেন প্রাণের কর্মিদের।সাহস জুগিয়েছেন,বিপদে পাশে দাড়িয়েছেন সাধারন কর্মিদের।নিজের জিবন বিপন্ন জেনেও সবসময় আগলে রেখেছেন সংগঠন ও আদর্শিক কর্মিদের। তাইতো হন্তারকের ছোড়া হাজারো তপ্ত বুলেটের সামনে নিজে বুকপেতে দাড়িয়েছেন, প্রিয় কর্মিরা হাজার বুলেট বুকে নিয়ে রক্তে রাজপথ রন্জিত করেছেন তবুও নেতার প্রতি অবিচল আস্থায় রাজপথ ছাড়েন নি।আজন্ম অসাম্প্রদায়িক চেতনা লালন করা ব্যক্তি জিবনে ধার্মিক এ মানুষটির হাতেই নিরাপদ জনকের সংগঠন এবং প্রিয় জনপদ বাঁশখালী।
আগামী সংসদ নির্বাচনে তিনিই নৌকার একমাত্র যোগ্য প্রার্থি।
জয়বাংলা -জয় বঙ্গবন্ধু
সাবেক ছাত্রনেতা গাজী জাহেদ আকবর জেবু ভাইয়েরটাইমলাইন
থেকে
আজকে অনেক ভোগবাদী, অাদর্শ বিবর্জিত নেতা দম্ভ করে বলেন "লিটন" আওয়ামীলীগের কেউনা কিন্তু তারা জানেনা বঙ্গবন্ধুর কালজয়ী আদর্শ চর্চায় কারো সার্টিফিকেট বা পরিচয় পত্র লাগেনা।
Abdullah Kabir Liton বিশ্বাস করেন আওয়ামীলীগ করতে পদ-পদবি লাগেনা।জনক, জন্মভুমির প্রতি ভালবাসায় যথেষ্ট।তিনি বিশ্বাস করেন আওয়ামীলীগ বাঁচলেই বাঁচবে বাংলাদেশ,সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে ৫৬ হাজার বর্গমাইলের মানচিত্র।শ্যামল বাংলার রক্তেভেঁজা পলি মাটিতে উড়বে লাল- সবুজের পতাকা।ধর্মান্ধ শুকুনেরা কখনো মাথা তুলতে পারবেনা কথিত দ্বি-জাতি তত্বকে মিথ্যা প্রমান করে স্বাধীনতা ছিনিয়ে আনা বাঙালীর আবাসভুমি এ বাংলাদেশে।নেতৃত্বের ব্যর্থতায় এবং কথিত সওদাগরি নেতৃত্বের কালোটাকার নেশায় যখন বাঁশখালী আওয়ামীলীগ বিপর্যস্ত,ত্যাগি কর্মিরা যখন সংগঠন বিমুখ,কথিত নেতাদের হামলা,মামলায় যখন নিগৃহীত জনকের আদর্শিক সন্তান, ঠিক তখনি উত্তাল সাগরে একখন্ড ভেলা হয়ে ডুবন্ত মুজিব পরিবারকে বাঁচাতেই বাঁশখালীর রাজনীতিতে লিটন ভাইয়ের আগমন।হ্যামিলনের বাঁশি ওয়ালার মত যাদুকরি সুরে বিনি সুতোর মালায় গেঁথে ঐক্যবদ্ধ করেছেন প্রাণের কর্মিদের।সাহস জুগিয়েছেন,বিপদে পাশে দাড়িয়েছেন সাধারন কর্মিদের।নিজের জিবন বিপন্ন জেনেও সবসময় আগলে রেখেছেন সংগঠন ও আদর্শিক কর্মিদের। তাইতো হন্তারকের ছোড়া হাজারো তপ্ত বুলেটের সামনে নিজে বুকপেতে দাড়িয়েছেন, প্রিয় কর্মিরা হাজার বুলেট বুকে নিয়ে রক্তে রাজপথ রন্জিত করেছেন তবুও নেতার প্রতি অবিচল আস্থায় রাজপথ ছাড়েন নি।আজন্ম অসাম্প্রদায়িক চেতনা লালন করা ব্যক্তি জিবনে ধার্মিক এ মানুষটির হাতেই নিরাপদ জনকের সংগঠন এবং প্রিয় জনপদ বাঁশখালী।
আগামী সংসদ নির্বাচনে তিনিই নৌকার একমাত্র যোগ্য প্রার্থি।
জয়বাংলা -জয় বঙ্গবন্ধু
সাবেক ছাত্রনেতা গাজী জাহেদ আকবর জেবু ভাইয়েরটাইমলাইন
থেকে



মন্তব্যসমূহ