বাঁশখালীতে ছাত্রলীগের সংগঠনিক সম্পাদকের উপরে হামলা মহান স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে বাঁশখালীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুস্পমাল্য অর্পনের সময় কথা কাটাকাটির জের ধরে, রাতে পৌরসদরের একটি কমিউনিটি সেন্টারে প্রকাশ্যে হামলার শিকার হন, দক্ষিণজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হোছাইন মোহাম্মদ।

বাঁশখালীতে ছাত্রলীগের সংগঠনিক সম্পাদকের উপরে হামলা মহান স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে বাঁশখালীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুস্পমাল্য অর্পনের সময় কথা কাটাকাটির জের ধরে, রাতে পৌরসদরের একটি কমিউনিটি সেন্টারে প্রকাশ্যে হামলার শিকার হন, দক্ষিণজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হোছাইন মোহাম্মদ।

এই ঘটনায় চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নাটকীয় ভূমিকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে, বাঁশখালী উপজেলা, পৌরসভা ও দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সিনিয়র নেতাকর্মীদের মধ্যে।
দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের আওতাধিন বিভিন্ন এলাকা ও উপজেলা এবং পৌরসভা ছাত্রলীগের তৃণমূলের নেতা কর্মীরা, হামলার ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছে। কিন্তু দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগ সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া দুওে থাক, বিবৃতি পর্যন্ত না দেওয়ায় দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের এ নিয়ে বিভক্ত, গ্রুপিং, কোন্দল বিশৃঙ্খলা সৃষ্ঠি হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানায়।
জানা গেছে বাঁশখালী উপজেলার আওয়ামীলীগের রাজনীতি ত্রি-ধারায় বিভক্ত। এই বিভক্তকে কেন্দ্র করে এই পর্যন্ত একাধিকবার গ্রুপ উপগ্রুপ কোন্দলে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনায় শতাধিক আহত হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।এর মধ্যে বাঁশখালী উপজেল আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য আবদুল্লাহ কবির লিটন, দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগের অর্থ সম্পাদক মুজিবুর রহমান সিআইপি’র গ্রুপ বিদ্যামান।তবে বাঁশখালীতে সাংগঠনিক কর্মকান্ড পরিচালনা করে থাকেন, মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী এমপি ও আবদুল্লাহ কবির লিটন। মুজিবুর রহমান দলীয় কর্মকান্ডে দেখা না গেলেও তিনি কৌশলে সামাজিক কর্মকান্ডে হাজির থাকেন।
২৬ মার্চ’১৮ দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হোছাইন মোহাম্মদের উপর হামলার ঘটনায় মুজিবুর রহমানের গ্রুপকে দায়ী করে আসছেন, আব্দুল্লাহ কবির লিটনের অনুসারীরা।
এই ঘটনায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানিয়ে, দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে সংগঠনের উপ দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ দিদারুল আলম (দিদার) এর স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে তীব্র নিন্দা জানান- দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি মিজানুর রহমান, তাওহীদুল ইসলাম জেকি, আবুল কালাম আজাদ, সাইদুর রহমান জিহান, ইরফান হাসান মান্নান (তানিম), খোরশেদুল আলম ইমতিয়াজ, ফরহাদুল ইসলাম, ইশতিয়াক আলম সুমন।
যুগ্ম সম্পাদক জয়নাল আবেদিন জয়, আমিনুল ইসলাম, বরুদ্দোজা জুয়েল এবং সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুদ্দিন মানিক, হামিদ হোছাইন, সহ সাধারণ সম্পাদক রিপন তালুকদার সহ নেতৃবৃন্দরা হামলাকারীদের অভিলম্বে গ্রেফতারের দাবী জানান এবং ঘটনার দশদিন অতিবাহিত হওয়ার পরও দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাধারণ সম্পাদক নিরব ভূমিকা পালন করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
এ বিষয়ে দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হামিদ হোছাইন বলেন, হামলার ঘটনা কোনভাবে মেনে নেওয়ার মত না। এই ঘটনা যদি দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগ নিরব থাকে, অপরাধিরা আরও অপরাধ করতে উৎসাহিত হবে। যার কারণে সংগঠনের কোন নেতাকর্মীদের উপর হামলা চালিয়ে, কেউ রেহাই পাবে আমি সেটা বিশ্বাস করিনা। আমিও অপরাধিদের কঠিন শাস্তি দাবী জানাই এবং বিবৃতির সাথে আমারও সম্মতি রয়েছে।
এ বিষয়ে দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি তাওহীদুল ইসলাম জেকি জানান, এই বিবৃতিতে আমার সম্মতি আছে। প্রকৃত অপরাধিদের শাস্তির আওতায় আনা হউক দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের প্রতিটি নেতাকর্মী এবং প্রত্যেক উপজেলার নেতাকর্মীদেরও দাবী।
বিবৃতির বিষয়ে ও হামলার ঘটনায় দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এস.এম বোরহান উদ্দিন গণমাধ্যমকে জানিয়েছে, আহত হোসাইন মোহাম্মদকে দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সহ আমি হাসপাতালে দেখতে যাই। তিনি বর্তমানেও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাথে আলাপ আলোচনা করে পরবর্তী সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

মন্তব্যসমূহ

Times24

শুধু মেডামের জন্য এখনো রাজনীতি করছি,তারেকের অধীনে রাজনীতি করার প্রশ্নই আসেনা

বাঁশখালীতে আ'লীগের চেয়ে বহুগুণ এগিয়ে জামায়াত শিবির

৭ই মার্চ স্মরণে চঃদ জেলা ছাত্রলীগের মিছিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

লিটন ভাইয়ের বিকল্ব কেবল লিটন ভাই