ফারুক হত্যার বিচার হয়নি পাঁচ বছরেও
আজ ৮ ই ফেব্রুয়ারী আমার পুনর্জন্মের নয় বছর পূর্ণ হলো,আজ থেকে ৯ বছর আগে ২০১০ সালের ৮ ই ফেব্রুয়ারী দিবাগত রাতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে কাপুরুষ নরপশু জামাত শিবির সন্ত্রাসীরা শুধুমাত্র ছাত্রলীগ করার অপরাধে আমার হাত পায়ের রগ কেটে দেয়,মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপায়,লোহার পাইপ দিয়ে সারা শরীরে পিটিয়ে জখম করে মৃত্যু নিশ্চিত করে ফেলে রেখে যায় ।।
বাঁচবো ভাবিনি,বেঁচে আছি সৃষ্টি কর্তার দয়ায় আর হাজারো লাখো
ছাত্রলীগ নেতা কর্মী ও সাধারন মানুষের দোয়ায় ।। একই দিনে শিবির সন্ত্রাসীরা হত্যা করে ছাত্রলীগ নেতা ফারুক হোসেনকে,হাত পায়ের রগ কেটে দেয় ফিরোজ ও লেলিনের,কুপিয়ে আহত করে আসাদ,কাউসার,লুতফর,রাহী,তৌফিক,মুন্না রুহুল আমীন,শামীম সহ আরো বিশ জনের অধিক ছাত্রলীগ নেতা কর্মীর...
দীর্ঘ ৩৩ দিন আমি এবং ফিরোজ ভাই রাজধানীর পঙ্গুর সাথে পান্জা লড়ে বেঁচে যাই কোনমতে ।। প্রায় প্রতিদিন নেতা,এম.পি,মন্ত্রীরা, উপদেষ্টারা আমাদের দেখতে এসে বেঁচে থাকার সাহস যোগাতো,পুনর্বাসনের আশ্বাস দিতো,পরিপূর্ণ চিকিৎসার আশ্বাস দিতো তারপর হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে পাশে পাইনি আর কাউকে ।।
লজ্জা লজ্জা লজ্জা,এই লজ্জা কি শুধু আমাদের নাকি পুরো সংগঠনের ??
যদি ফারুক হত্যার বিচার হতো,যদি ফিরোজ লুতফর রাহী আসাদ কাউসার রুহুলের মূল্যায়ন পুনর্বাসন করা হতো তবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে আর কোন তাকিম তুহিন টগর টিপু সাদ্দাম মাসুদ হাবিবের রগ কাটার সাহস জারজ জামাত শিবির পেতনা ।।
ছাত্রলীগ হত্যার বিচার হয়না,যারা রগ কাটার শিকার তাদের মূল্যায়ন পুনর্বাসন হয়না বলেই বারবার এসব ঘটনার পুনরাবৃত্তি হয় ।
এভাবে ধুঁকে ধুঁকে মরে বেঁচে থাকার চেয়ে,আশ্বাস নামের বাঁশ নিয়ে,এত ত্যাগের পরেও অমূল্যায়িত থাকার চেয়ে মৃত্যুও শ্রেয় ।।
আজ কিছু কিছু চেতনার দোকানদার ফারুক হত্যা দিবস পালন করবে,কেন্দ্রিয় মহাজনেরা আওয়াজ দিবে *ফারুক ভাইয়ের রক্ত বৃথা যেতে দিবো না*,বাদশা ভাই ফিরোজ ভাই আসাদ ভাই লেলিন ভাইয়ের রক্ত বৃথা যেতে দেবো না,এই আওয়াজ পর্যন্তই শেষ,,
লাশ হওয়া,রক্ত দেয়া,প্রতিবন্ধী হওয়া,রাজনৈতিক ইস্যু সৃষ্টি করে দেওয়া মানুষ গুলোর মনের,পরিবারের,শরীরের খোঁজ আজকেও রাখেনি রাখবেনা চেতনা ব্যবসায়ী ধান্দাবাজ তেলবাজদের কারনে কোন নেতা ।
আমরা হারিয়ে গেছি ধান্দাবাজদের ভীড়ে,চেয়ে আছি অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে মৃত্যু যন্ত্রনাকে আলিঙ্গন করে ।।
বাঁচবো ভাবিনি,বেঁচে আছি সৃষ্টি কর্তার দয়ায় আর হাজারো লাখো
ছাত্রলীগ নেতা কর্মী ও সাধারন মানুষের দোয়ায় ।। একই দিনে শিবির সন্ত্রাসীরা হত্যা করে ছাত্রলীগ নেতা ফারুক হোসেনকে,হাত পায়ের রগ কেটে দেয় ফিরোজ ও লেলিনের,কুপিয়ে আহত করে আসাদ,কাউসার,লুতফর,রাহী,তৌফিক,মুন্না রুহুল আমীন,শামীম সহ আরো বিশ জনের অধিক ছাত্রলীগ নেতা কর্মীর...
দীর্ঘ ৩৩ দিন আমি এবং ফিরোজ ভাই রাজধানীর পঙ্গুর সাথে পান্জা লড়ে বেঁচে যাই কোনমতে ।। প্রায় প্রতিদিন নেতা,এম.পি,মন্ত্রীরা, উপদেষ্টারা আমাদের দেখতে এসে বেঁচে থাকার সাহস যোগাতো,পুনর্বাসনের আশ্বাস দিতো,পরিপূর্ণ চিকিৎসার আশ্বাস দিতো তারপর হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে পাশে পাইনি আর কাউকে ।।
যে ফারুকের জীবনের বিনিময়ে রা.বি ক্যাম্পাস শিবির মুক্ত সেই ফারুক হত্যার বিচার হয়নি পাঁচ বছরেও,যে বাদশা ফিরোজ আসাদের রক্ত আর রগ কাটা আর পঙ্গুত্বের বিনিময়ে রা.বি ছাত্রলীগ পেয়েছিল রা.বি ক্যাম্পাস শিবির মুক্ত করার রাজনৈতিক ইস্যু তাদের কেউ মনে রাখেনি,দেয়নি দলীয় পরিচয় টুকুও ।।আজ তৌফিক কাউসার হারিয়ে গেছে বিরুদ্ধ স্রোতে,বিনা চিকিৎসায় অন্ধ হয়ে মরছে ধুঁকে ধুঁকে আসাদ,লুৎফর ভাই ফিরোজ ভাই এবং আমার পরিবার সর্বশান্ত হয়ে গেছে চিকিৎসার ভার বইতে গিয়ে,ছাত্রলীগ করতে গিয়ে পঙ্গু হয়ে এখন হয়ে গেছি মানুষের উপহাসের পাত্র ।।লজ্জায় বাসা থেকে বের হতে পারিনা,
মানুষ আমাদের দিকে তাকিয়ে দেখিয়ে দেয় ঐ যে বালের নেতা যায়,ছাত্রলীগ করার জন্য অন্ধ প্রতিবন্ধী হয়ে গেছে,জীবনটা শেষ করে ফেলেছে তবু চাকরি নাই,পদ পদবি নাই,মূল্যায়ন নাই তোরা কেউ ছাত্রলীগ করিস না,,লজ্জা লজ্জা লজ্জা,এই লজ্জা কি শুধু আমাদের নাকি পুরো সংগঠনের ??
যদি ফারুক হত্যার বিচার হতো,যদি ফিরোজ লুতফর রাহী আসাদ কাউসার রুহুলের মূল্যায়ন পুনর্বাসন করা হতো তবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে আর কোন তাকিম তুহিন টগর টিপু সাদ্দাম মাসুদ হাবিবের রগ কাটার সাহস জারজ জামাত শিবির পেতনা ।।
ছাত্রলীগ হত্যার বিচার হয়না,যারা রগ কাটার শিকার তাদের মূল্যায়ন পুনর্বাসন হয়না বলেই বারবার এসব ঘটনার পুনরাবৃত্তি হয় ।
এভাবে ধুঁকে ধুঁকে মরে বেঁচে থাকার চেয়ে,আশ্বাস নামের বাঁশ নিয়ে,এত ত্যাগের পরেও অমূল্যায়িত থাকার চেয়ে মৃত্যুও শ্রেয় ।।
আজ কিছু কিছু চেতনার দোকানদার ফারুক হত্যা দিবস পালন করবে,কেন্দ্রিয় মহাজনেরা আওয়াজ দিবে *ফারুক ভাইয়ের রক্ত বৃথা যেতে দিবো না*,বাদশা ভাই ফিরোজ ভাই আসাদ ভাই লেলিন ভাইয়ের রক্ত বৃথা যেতে দেবো না,এই আওয়াজ পর্যন্তই শেষ,,
লাশ হওয়া,রক্ত দেয়া,প্রতিবন্ধী হওয়া,রাজনৈতিক ইস্যু সৃষ্টি করে দেওয়া মানুষ গুলোর মনের,পরিবারের,শরীরের খোঁজ আজকেও রাখেনি রাখবেনা চেতনা ব্যবসায়ী ধান্দাবাজ তেলবাজদের কারনে কোন নেতা ।
আমরা হারিয়ে গেছি ধান্দাবাজদের ভীড়ে,চেয়ে আছি অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে মৃত্যু যন্ত্রনাকে আলিঙ্গন করে ।।


মন্তব্যসমূহ