জিয়া অরফানেজের প্রকৃত তথ্য
জিয়া অরফানেজের প্রকৃত তথ্য:
★★অরফানেজ গঠনের জন্য সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধন প্রয়োজন হয় যা জিয়া অরফানেজের নেই।
★★কমপক্ষে ১০ জন এতিম থাকতে হয় যা জিয়া অরফানেজের নেই বা ছিল না। অথচ, রাষ্ট্রীয় এতিম তহবিল থেকে রাষ্ট্রের অর্থ তাদের বেআইনিভাবে দেয়া হয়েছিল।
★★প্রধানমন্ত্রীর এতিম তহবিল থেকে যে টাকা বেআইনী ভাবে আত্মসাৎ করা হয়েছে তার পরিমাণ ১.২ মিলিয়ন ডলার। মনে রাখবেন, এই টাকা এসেছিল ১৯৯১ সালে, যা দিয়ে তখন গুলশানে যে পরিমাণ জমি কেনা যেত তার আজকের (২০১৮) বাজার মূল্য ২৫০ কোটি টাকা।
★★ব্যাক্তিগত ঠিকানায় এতিমখানার ঠিকানা দেয়া যায় না, কিন্তু জিয়া এতিমখানার ঠিকানা দেয়া ছিল ক্যান্টনমেন্টের মইনুল রোডের খালেদা জিয়ার বাসভবন।
★★সবচেয়ে হাস্যকর বিষয় হল, ১৯৯৩ সালে এতিমখানার নাম ব্যবহার করে টাকা আত্মসাতের প্রায় ২৫ বছর পরও ২০১৮ সালে সারা দেশে এতিমখানার কোন অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি। যা পরবর্তীতে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ সংবাদ মাধ্যমে নিজের মুখে স্বীকার করেন।
এত মিথ্যাচার, এত অন্যায়ের পরেও যারা বিএনপির সাফাই গাইতে আসেন তাদের কি সামান্য লজ্জাও হয় না?
★★অরফানেজ গঠনের জন্য সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধন প্রয়োজন হয় যা জিয়া অরফানেজের নেই।
★★কমপক্ষে ১০ জন এতিম থাকতে হয় যা জিয়া অরফানেজের নেই বা ছিল না। অথচ, রাষ্ট্রীয় এতিম তহবিল থেকে রাষ্ট্রের অর্থ তাদের বেআইনিভাবে দেয়া হয়েছিল।
★★প্রধানমন্ত্রীর এতিম তহবিল থেকে যে টাকা বেআইনী ভাবে আত্মসাৎ করা হয়েছে তার পরিমাণ ১.২ মিলিয়ন ডলার। মনে রাখবেন, এই টাকা এসেছিল ১৯৯১ সালে, যা দিয়ে তখন গুলশানে যে পরিমাণ জমি কেনা যেত তার আজকের (২০১৮) বাজার মূল্য ২৫০ কোটি টাকা।
★★ব্যাক্তিগত ঠিকানায় এতিমখানার ঠিকানা দেয়া যায় না, কিন্তু জিয়া এতিমখানার ঠিকানা দেয়া ছিল ক্যান্টনমেন্টের মইনুল রোডের খালেদা জিয়ার বাসভবন।
★★সবচেয়ে হাস্যকর বিষয় হল, ১৯৯৩ সালে এতিমখানার নাম ব্যবহার করে টাকা আত্মসাতের প্রায় ২৫ বছর পরও ২০১৮ সালে সারা দেশে এতিমখানার কোন অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি। যা পরবর্তীতে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ সংবাদ মাধ্যমে নিজের মুখে স্বীকার করেন।
এত মিথ্যাচার, এত অন্যায়ের পরেও যারা বিএনপির সাফাই গাইতে আসেন তাদের কি সামান্য লজ্জাও হয় না?

মন্তব্যসমূহ