জিয়া এতিমখানা কোথায়, জানতে চান ?
জিয়া এতিমখানা কোথায়, জানতে চান ?
ফারজানা রুপার একাত্তর টেলিভিশনে প্রচারিতরিপোর্ট দেখুন। জিয়া অরফানেজ ট্রাষ্ট দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত বেগম খালেদা জিয়ার বাঘা বাঘা আইনজীবীরা কেউই সাংবাদিকদের “জিয়া এতিমখানা কোথায়” এই প্রশ্নের জবাব দিতে পারছেন না।
১৯৯২ সাল। খালেদা জিয়া তখন প্রথমবারের মত প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে। সেসময় সারাদেশের এতিমদের সহায়তার জন্য “প্রধানমন্ত্রীর এতিম তহবিল” নামে একটা বিশেষ ব্যাংক একাউন্ট খোলা হয় সোনালী ব্যাংকের রমনা শাখায়। হিসাব নাম্বার ৫৪১৬। এই একাউন্টের স্বত্বাধিকারী হিসেবে স্বাক্ষর করেন তৎকালীন বেগম খালেদা জিয়া।
১৯৯৩ সালের জুন মাসে সৌদি আরবের “ইউনাইটেড সৌদি কমার্শিয়াল ব্যাংক” এর ডিডি মারফত ১২ লাখ ৫৫ হাজার ডলার অর্থাৎ ৪ কোটি ৪৪ লাখ ৮১ হাজার টাকা জমা হয়। সারাদেশের এতিমদের জন্য আসা এই টাকাটা পরবর্তী দুই বছর ব্যাংকে অলস পড়ে ছিল, একটা পয়সাও বন্টন করা হয়নি দেশের কোন এতিমখানায়।
টাকা বন্ঠন :- ১৯৯৩ সালেই তৎকালীন প্রধান মন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সেনানিবাসের ৬, মইনুল রোডের বাসভবনের ঠিকানা ব্যবহার করে খোলা হয় জিয়া এতিমখানা। বেগম খালেদা জিয়াকে আদালতে নির্দোষ প্রমাণ করতে আসা খালেদার আইনজীবীদের কাছে সাংবাদিকের প্রশ্ন ছিল, বেগম খালেদা জিয়া যে জিয়া এতিমখানাটা তার ব্যক্তিগত বাসভবনের ঠিকানা ব্যবহার করে খুলেছিলেন, সেই জিয়া এতিমখানা আসলে কোথায় ?
আইনজীবীদের উত্তরগুলো
১ম আইনজীবী- শুনেছি, কিন্তু ভালো বলতে পারবো না।
২য় আইনজীবী- একচুয়ালি এই বিষয়গুলা আপনারা আমাদের সিনিয়র আইনজীবীদের সাথে কথা বলেন।
৩য় আইনজীবী- এইটার ঠিকানাটা আমি বলতে পারবো না।
৪র্থ আইনজীবী- এইটা (এই প্রশ্নটা) আমাদের লার্নেড সিনিয়র, তিন-চারজনের কাউন্সিলেটের জন্য নির্ধারিত আছে।
৫ম আইনজীবী- (কুখ্যাত ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ) এতিমখানা তো হয়ই নাই!
৬ষ্ঠ আইনজীবী (সাবেক স্পীকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার)- (বেশ বিরক্ত হয়ে) ঠিকানাটা খুঁজছেন কেন?
৭ম আইনজীবী (বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান)- ইয়ে মানে, ঠিকানাটা আমার জানা নেই!
বেগম খালেদা জিয়ার মইনুল রোডের বাড়ির ঠিকানা ব্যবহার করে খোলা জিয়া এতিমখানার কথা মনে আছে ? সেই এতিমখানার ট্রাস্টিবোর্ডের সদস্য খালেদা ও জিয়াউর রহমানের দুই ছেলে তারেক জিয়া ও আরাফাত রহমান কোকো এবং তাদের পরিবারের ঘনিষ্ঠ আত্মীয় স্বজনেরা। এরপর খালেদা জিয়া দুই মেয়াদে নয় বছর ক্ষমতায় থাকলেও জিয়া এতিমখানা আর কখনোই প্রতিষ্ঠিত হয়নি। কিন্তু বিদেশ থেকে এতিমদের জন্য আসা টাকা এই ট্রাষ্ট সদস্যদের ব্যক্তিগত ব্যাংক একাউন্টে সুদেআসলে বেড়েছে প্রতিনিয়ত।
ফারজানা রুপার একাত্তর টেলিভিশনে প্রচারিতরিপোর্ট দেখুন। জিয়া অরফানেজ ট্রাষ্ট দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত বেগম খালেদা জিয়ার বাঘা বাঘা আইনজীবীরা কেউই সাংবাদিকদের “জিয়া এতিমখানা কোথায়” এই প্রশ্নের জবাব দিতে পারছেন না।
১৯৯২ সাল। খালেদা জিয়া তখন প্রথমবারের মত প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে। সেসময় সারাদেশের এতিমদের সহায়তার জন্য “প্রধানমন্ত্রীর এতিম তহবিল” নামে একটা বিশেষ ব্যাংক একাউন্ট খোলা হয় সোনালী ব্যাংকের রমনা শাখায়। হিসাব নাম্বার ৫৪১৬। এই একাউন্টের স্বত্বাধিকারী হিসেবে স্বাক্ষর করেন তৎকালীন বেগম খালেদা জিয়া।
১৯৯৩ সালের জুন মাসে সৌদি আরবের “ইউনাইটেড সৌদি কমার্শিয়াল ব্যাংক” এর ডিডি মারফত ১২ লাখ ৫৫ হাজার ডলার অর্থাৎ ৪ কোটি ৪৪ লাখ ৮১ হাজার টাকা জমা হয়। সারাদেশের এতিমদের জন্য আসা এই টাকাটা পরবর্তী দুই বছর ব্যাংকে অলস পড়ে ছিল, একটা পয়সাও বন্টন করা হয়নি দেশের কোন এতিমখানায়।
টাকা বন্ঠন :- ১৯৯৩ সালেই তৎকালীন প্রধান মন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সেনানিবাসের ৬, মইনুল রোডের বাসভবনের ঠিকানা ব্যবহার করে খোলা হয় জিয়া এতিমখানা। বেগম খালেদা জিয়াকে আদালতে নির্দোষ প্রমাণ করতে আসা খালেদার আইনজীবীদের কাছে সাংবাদিকের প্রশ্ন ছিল, বেগম খালেদা জিয়া যে জিয়া এতিমখানাটা তার ব্যক্তিগত বাসভবনের ঠিকানা ব্যবহার করে খুলেছিলেন, সেই জিয়া এতিমখানা আসলে কোথায় ?
আইনজীবীদের উত্তরগুলো
১ম আইনজীবী- শুনেছি, কিন্তু ভালো বলতে পারবো না।
২য় আইনজীবী- একচুয়ালি এই বিষয়গুলা আপনারা আমাদের সিনিয়র আইনজীবীদের সাথে কথা বলেন।
৩য় আইনজীবী- এইটার ঠিকানাটা আমি বলতে পারবো না।
৪র্থ আইনজীবী- এইটা (এই প্রশ্নটা) আমাদের লার্নেড সিনিয়র, তিন-চারজনের কাউন্সিলেটের জন্য নির্ধারিত আছে।
৫ম আইনজীবী- (কুখ্যাত ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ) এতিমখানা তো হয়ই নাই!
৬ষ্ঠ আইনজীবী (সাবেক স্পীকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার)- (বেশ বিরক্ত হয়ে) ঠিকানাটা খুঁজছেন কেন?
৭ম আইনজীবী (বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান)- ইয়ে মানে, ঠিকানাটা আমার জানা নেই!
বেগম খালেদা জিয়ার মইনুল রোডের বাড়ির ঠিকানা ব্যবহার করে খোলা জিয়া এতিমখানার কথা মনে আছে ? সেই এতিমখানার ট্রাস্টিবোর্ডের সদস্য খালেদা ও জিয়াউর রহমানের দুই ছেলে তারেক জিয়া ও আরাফাত রহমান কোকো এবং তাদের পরিবারের ঘনিষ্ঠ আত্মীয় স্বজনেরা। এরপর খালেদা জিয়া দুই মেয়াদে নয় বছর ক্ষমতায় থাকলেও জিয়া এতিমখানা আর কখনোই প্রতিষ্ঠিত হয়নি। কিন্তু বিদেশ থেকে এতিমদের জন্য আসা টাকা এই ট্রাষ্ট সদস্যদের ব্যক্তিগত ব্যাংক একাউন্টে সুদেআসলে বেড়েছে প্রতিনিয়ত।

মন্তব্যসমূহ