এখন অপেক্ষা ন্যাচারাল জাস্টিস'র
ফেইসবুকে গত রাতে বিলেতে বাংলাদেশ হাইকমিশনে
বিএনপি কর্মীদের তাণ্ডবের ভিডিওতে এক জায়গায় দেখা যাচ্ছে বঙ্গবন্ধুর ছবিকে তারা অবমাননা করছে। বেয়াদব, অকৃতজ্ঞ, অর্বাচীন ওই অমানুষগুলোর কি মনে আছে, যে নেত্রীর জন্য বঙ্গবন্ধুর ছবিকে তারা অমর্যাদা করছে – সেই নেত্রীর সংসার বাঁচিয়ে দিয়ে সেই নেত্রীর মর্যাদা রক্ষা করেছিলেন বঙ্গবন্ধু? একদিন নিরুপায় হয়ে সেই নেত্রী যখন দাঁড়িয়ে ছিলেন বঙ্গবন্ধুর দ্বারে, নিজের মেয়ে বলে মর্যাদা দিয়ে স্বামীর হাতে তুলে দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু। সেই বঙ্গবন্ধুর ছবিকে আপনারা অবমাননা করলেন? কী অকৃতজ্ঞ আপনারা!
সরকারের কাছে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি রোধে আইন চেয়ে আসছি বহু বছর ধরে। এই কারণেই চাইছি। যেন কেউ আমাদের ’৭১-এর কোন কিছু কখনও অবমাননা বা অস্বীকার করতে না পারে। আজকে বঙ্গবন্ধুর ছবির অবমাননা দেখতে হল!!! হায় অকৃতজ্ঞ বাংলার কুলাঙ্গারের দল, যে বাংলাদেশের পাসপোর্ট নিয়ে ঘুরো, যে বাংলাদেশের নামে শ্লোগান দাও, যে বাংলাদেশের মসনদে বসার লোভে উন্মাদ হয়ে গিয়েছ – সেই বাংলাদেশ পেলে কার হাত ধরে? তোমাদের মত কীটদের আঘাতে বঙ্গবন্ধুর মর্যাদার কোন যাবে আসবে না। ইতিহাসে তাঁর যে মর্যাদা লেখা হয়ে গেছে তা তোমরা ফিরে গিয়ে মুছে দিতে পারবে না।
দল-মত নির্বিশেষে বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ মুক্তিযুদ্ধের প্রতি অনুগত – শুধুমাত্র রাজাকারদের বংশধররা ছাড়া। বঙ্গবন্ধুর ছবির অবমাননা তাদের সবার বুকে শেলের আঘাত হেনেছে। যে দলের লোকজন জাতির জনকের মর্যাদাই রাখতে পারে না, তাদের নেত্রীর মর্যাদা কেউ রক্ষা করতে পারবে না – এটাই প্রকৃতির বিধান। এই ধরার সামান্য মামলার কথা বলছি না। সেটা আদালতের ব্যাপার। অন্যদের মত মর্তের বিচার নিয়ে আমি অত উচ্ছ্বসিত নই কখনও। আমি বলছি ‘ন্যাচারাল জাস্টিস-এর কথা’।
বিএনপি কর্মীদের তাণ্ডবের ভিডিওতে এক জায়গায় দেখা যাচ্ছে বঙ্গবন্ধুর ছবিকে তারা অবমাননা করছে। বেয়াদব, অকৃতজ্ঞ, অর্বাচীন ওই অমানুষগুলোর কি মনে আছে, যে নেত্রীর জন্য বঙ্গবন্ধুর ছবিকে তারা অমর্যাদা করছে – সেই নেত্রীর সংসার বাঁচিয়ে দিয়ে সেই নেত্রীর মর্যাদা রক্ষা করেছিলেন বঙ্গবন্ধু? একদিন নিরুপায় হয়ে সেই নেত্রী যখন দাঁড়িয়ে ছিলেন বঙ্গবন্ধুর দ্বারে, নিজের মেয়ে বলে মর্যাদা দিয়ে স্বামীর হাতে তুলে দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু। সেই বঙ্গবন্ধুর ছবিকে আপনারা অবমাননা করলেন? কী অকৃতজ্ঞ আপনারা!
সরকারের কাছে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি রোধে আইন চেয়ে আসছি বহু বছর ধরে। এই কারণেই চাইছি। যেন কেউ আমাদের ’৭১-এর কোন কিছু কখনও অবমাননা বা অস্বীকার করতে না পারে। আজকে বঙ্গবন্ধুর ছবির অবমাননা দেখতে হল!!! হায় অকৃতজ্ঞ বাংলার কুলাঙ্গারের দল, যে বাংলাদেশের পাসপোর্ট নিয়ে ঘুরো, যে বাংলাদেশের নামে শ্লোগান দাও, যে বাংলাদেশের মসনদে বসার লোভে উন্মাদ হয়ে গিয়েছ – সেই বাংলাদেশ পেলে কার হাত ধরে? তোমাদের মত কীটদের আঘাতে বঙ্গবন্ধুর মর্যাদার কোন যাবে আসবে না। ইতিহাসে তাঁর যে মর্যাদা লেখা হয়ে গেছে তা তোমরা ফিরে গিয়ে মুছে দিতে পারবে না।
দল-মত নির্বিশেষে বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ মুক্তিযুদ্ধের প্রতি অনুগত – শুধুমাত্র রাজাকারদের বংশধররা ছাড়া। বঙ্গবন্ধুর ছবির অবমাননা তাদের সবার বুকে শেলের আঘাত হেনেছে। যে দলের লোকজন জাতির জনকের মর্যাদাই রাখতে পারে না, তাদের নেত্রীর মর্যাদা কেউ রক্ষা করতে পারবে না – এটাই প্রকৃতির বিধান। এই ধরার সামান্য মামলার কথা বলছি না। সেটা আদালতের ব্যাপার। অন্যদের মত মর্তের বিচার নিয়ে আমি অত উচ্ছ্বসিত নই কখনও। আমি বলছি ‘ন্যাচারাল জাস্টিস-এর কথা’।

মন্তব্যসমূহ