দলে শৃঙ্খলা ফেরাতে মরীয়া বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ:
এবার দলে শৃংখলা ফেরাতে শক্ত অবস্থান নিয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। কঠোর নির্দেশনা দিয়ে তৃণমূলে এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার চিঠি পাঠিয়েছেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
প্রতিটি জেলা, মহানগর, উপজেলা ও পৌরসভা কমিটিতে পাঠানো এ চিঠিতে কেন্দ্রীয় কমিটির সিদ্ধান্ত ছাড়া কোনো পর্যায়ের কমিটি বিলুপ্ত না করা বা কাউকে বহিষ্কার না করার জন্য বলা হয়েছে।
আওয়ামী লীগের উপদফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়–য়া যুগান্তরের কাছে চিঠি পাঠানোর কথা স্বীকার করেছেন। চিঠির একটি কপি যুগান্তরের কাছে সংরক্ষিত আছে।
বিপ্লব বড়–য়া যুগান্তরকে বলেন, আগামী নির্বাচনে দলের শক্তি, সামর্থ্য এবং সংহতির সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে চায় আওয়ামী লীগ। যে কারণে দলের নিয়ম ও গঠনতান্ত্রিক বিষয়গুলো যথাযথ অনুসরণের জন্য চিঠি দেয়া হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়, ‘আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের অনুমতি ছাড়া কোনো ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, পৌর, থানা, উপজেলা ও জেলা শাখার কমিটি ভাঙা বা বিলুপ্ত করা যাবে না। অথচ আমরা বিস্ময়ের সঙ্গে লক্ষ্য করছি যে, ইতিমধ্যে কোনো কোনো জেলা তাদের অধীনস্থ ওয়ার্ড/ ইউনিয়ন/ পৌর/ থানা/ উপজেলা/ জেলা কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে এবং কোনো কোনো এলাকায় আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে, যা দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সিদ্ধান্তের সম্পূর্ণ পরিপন্থী।’
চিঠিতে আরও বলা হয়, দলীয় শৃংখলা ভঙ্গের কারণে যদি কাউকে বহিষ্কার করার প্রয়োজন হয়, তাহলে বিষয়টি কেন্দ্রীয় দফতরে পাঠাতে হবে। কাউকে বহিষ্কার করার এখতিয়ার একমাত্র কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের।
এতে উল্লেখ করা হয়েছে, দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে যারা ইউনিয়ন, পৌরসভা ও উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে অংশ নিয়েছিলেন, তাদের বিষয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছেন। এ কারণে তারা প্রাথমিক সদস্য পদ ফিরে পাবেন। তবে স্বপদে বহাল থাকতে পারবেন না।
চিঠি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দলের বিভিন্ন শাখাকে যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করার জন্য ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে চিঠিতে। তবে বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তৃণমূলে এ চিঠি পৌঁছেনি বলে ২ জেলার শীর্ষ নেতারা যুগান্তরকে জানিয়েছেন। উত্তরবঙ্গের এক জেলা কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এবং উত্তর-পূর্বের আরেক জেলার সাধারণ সম্পাদক জানান, তারা এখনও চিঠি হাতে পাননি।
সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের কয়েকটি ঘটনা আলোড়ন তোলে। এর একটি হল ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে দলের অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষের সময় সিরাজগঞ্জের পৌর মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হালিমুল হক মীরুর গুলিতে একজন সাংবাদিক নিহত হন।
খুলনার পাইকগাছায় আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল আজিজের বাড়ি ঘিরে দেয়াল তুলে তাদের বের হওয়ার পথ বন্ধ করে দেন স্থানীয় সংসদ সদস্য নুরুল হকের ছেলে মনিরুল ইসলাম। পরে প্রশাসন সে দেয়াল ভেঙে দেয়। চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলা চেয়ারম্যান এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নূর হোসেন পাটোয়ারী স্কুলে ছাত্রদের পিঠে উঠে সমালোচিত হন।
ইতিমধ্যে মেয়র মীরু এবং নূর হোসেন পাটোয়ারীকে কেন দল থেকে বহিষ্কার করা হবে না তা জানতে চেয়ে নোটিশ দেয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগ সূত্র জানায়, তাদের বহিষ্কার করা সময়ের ব্যাপার।
আর খুলনার ওই এমপিকে বুধবার দলীয় কার্যালয়ে ডেকে কঠোরভাবে শাসন করে আওয়ামী লীগ নেতারা। পরে ওই এমপি ক্ষমা চান এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা ঘটবে না মর্মে মুচলেকাও দেন।
প্রতিটি জেলা, মহানগর, উপজেলা ও পৌরসভা কমিটিতে পাঠানো এ চিঠিতে কেন্দ্রীয় কমিটির সিদ্ধান্ত ছাড়া কোনো পর্যায়ের কমিটি বিলুপ্ত না করা বা কাউকে বহিষ্কার না করার জন্য বলা হয়েছে।
বিভিন্ন নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থীদের প্রাথমিক সদস্য পদ ফিরিয়ে দেয়াসহ দলের গঠনতান্ত্রিক নিয়ম যথাযথ অনুসরণ করার নির্দেশও দেয়া হয়েছে এতে।
আওয়ামী লীগের উপদফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়–য়া যুগান্তরের কাছে চিঠি পাঠানোর কথা স্বীকার করেছেন। চিঠির একটি কপি যুগান্তরের কাছে সংরক্ষিত আছে।
বিপ্লব বড়–য়া যুগান্তরকে বলেন, আগামী নির্বাচনে দলের শক্তি, সামর্থ্য এবং সংহতির সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে চায় আওয়ামী লীগ। যে কারণে দলের নিয়ম ও গঠনতান্ত্রিক বিষয়গুলো যথাযথ অনুসরণের জন্য চিঠি দেয়া হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়, ‘আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের অনুমতি ছাড়া কোনো ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, পৌর, থানা, উপজেলা ও জেলা শাখার কমিটি ভাঙা বা বিলুপ্ত করা যাবে না। অথচ আমরা বিস্ময়ের সঙ্গে লক্ষ্য করছি যে, ইতিমধ্যে কোনো কোনো জেলা তাদের অধীনস্থ ওয়ার্ড/ ইউনিয়ন/ পৌর/ থানা/ উপজেলা/ জেলা কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে এবং কোনো কোনো এলাকায় আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে, যা দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সিদ্ধান্তের সম্পূর্ণ পরিপন্থী।’
চিঠিতে আরও বলা হয়, দলীয় শৃংখলা ভঙ্গের কারণে যদি কাউকে বহিষ্কার করার প্রয়োজন হয়, তাহলে বিষয়টি কেন্দ্রীয় দফতরে পাঠাতে হবে। কাউকে বহিষ্কার করার এখতিয়ার একমাত্র কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের।
এতে উল্লেখ করা হয়েছে, দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে যারা ইউনিয়ন, পৌরসভা ও উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে অংশ নিয়েছিলেন, তাদের বিষয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছেন। এ কারণে তারা প্রাথমিক সদস্য পদ ফিরে পাবেন। তবে স্বপদে বহাল থাকতে পারবেন না।
চিঠি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দলের বিভিন্ন শাখাকে যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করার জন্য ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে চিঠিতে। তবে বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তৃণমূলে এ চিঠি পৌঁছেনি বলে ২ জেলার শীর্ষ নেতারা যুগান্তরকে জানিয়েছেন। উত্তরবঙ্গের এক জেলা কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এবং উত্তর-পূর্বের আরেক জেলার সাধারণ সম্পাদক জানান, তারা এখনও চিঠি হাতে পাননি।
সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের কয়েকটি ঘটনা আলোড়ন তোলে। এর একটি হল ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে দলের অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষের সময় সিরাজগঞ্জের পৌর মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হালিমুল হক মীরুর গুলিতে একজন সাংবাদিক নিহত হন।
খুলনার পাইকগাছায় আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল আজিজের বাড়ি ঘিরে দেয়াল তুলে তাদের বের হওয়ার পথ বন্ধ করে দেন স্থানীয় সংসদ সদস্য নুরুল হকের ছেলে মনিরুল ইসলাম। পরে প্রশাসন সে দেয়াল ভেঙে দেয়। চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলা চেয়ারম্যান এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নূর হোসেন পাটোয়ারী স্কুলে ছাত্রদের পিঠে উঠে সমালোচিত হন।
ইতিমধ্যে মেয়র মীরু এবং নূর হোসেন পাটোয়ারীকে কেন দল থেকে বহিষ্কার করা হবে না তা জানতে চেয়ে নোটিশ দেয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগ সূত্র জানায়, তাদের বহিষ্কার করা সময়ের ব্যাপার।
আর খুলনার ওই এমপিকে বুধবার দলীয় কার্যালয়ে ডেকে কঠোরভাবে শাসন করে আওয়ামী লীগ নেতারা। পরে ওই এমপি ক্ষমা চান এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা ঘটবে না মর্মে মুচলেকাও দেন।


মন্তব্যসমূহ