পোস্টগুলি

ভিপি মানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি কিংবা প্রধানমন্ত্রী নয়,

ছবি
ভিপি মানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি কিংবা প্রধানমন্ত্রী নয়,নয় কোনো রাজনৈতিক দলের প্রধান মূখ্যপাত্র।কথায় কথায় সরকার পতন।কথায় কথায় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের নামে অহেতুক সমালোচনার এখতিয়ার কেবল নুরু কেন,কোনো ভিপি'রই নেই,যদি সেই কোনো রাজনৈতিক দলের নেতা না হয়।ছাত্রছাত্রীদের প্রতিনিধিত্ব করা মানে দেশের প্রতিনিধিত্ব করা নয়,ছাত্রছাত্রীদের প্রতিনিধিত্ব করা মানে সরকার বিরোধী জনমত তৈরি করা নয়।ছাত্রছাত্রীদের প্রতিনিধিত্ব করা মানে বই-পুস্তক বাদ দিয়ে ২৪'ঘন্টা ননস্টপ রাজনীতি করা নয়। অর্থের বিনিময়ে ভাড়ায় চালিত নুরু যে,সময়ের সাথে জামায়াত বিএনপির আন্দোলনের চালিকাশক্তি হয়ে একদা বলির পাটা হবে,এতে কোনো সন্দেহ নাই।একজন ভিপি'র কর্মপরিধির সীমাবদ্ধ আছে,যেটা নুরুর নেই।নুরু ছাত্রছাত্রীদের প্রতিনিধিত্ব করে'না!করে জামায়াত শিবিরের এজেন্ডা বাস্তবায়ন। কাজেই, সরকারের উর্ধতন কর্মকর্তাদের উচিৎ,সার্বক্ষনিক নুরুর গতিবিধির দৃষ্টি রাখা,কেননা ওরা(জামায়াত বিএনপি) কৌশলে নুরুকে #বলি দিয়ে,সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের ব্যানারে আন্দোলনের সূক্ষ্ণ ষড়যন্ত্রে মিশনে.......................................//

জামাতিদের আহারে পরিনত হচ্ছে আ'লীগ"

ছবি
আওয়ামীলীগ এর ফাঁদে জামাত নয়,বরং জামাত ইসলামের ফাঁদে পা দিয়েছে আওয়ামীলীগ।আওয়ামী হাইকমাণ্ড জামায়াত নিয়ে যা ভাবছেন,জামাত ইসলাম তা বিগত দশ বছর আগে ভেবে রেখেছে !এবং সেভাবেই তারা অগ্রসর হচ্ছে!তাতে কোন সন্দেহ নেই।আজ যে বা যারা জামায়াতের দক্ষ/ধনী নতুন প্রজন্ম কে দলে ডুকাচ্ছেন এবং পদ পদবী দিচ্ছেন!তাদের জেনে রাখা উচিত,"তৈল আর জল কখনো এক হয় না"! সংগঠনের প্রবেশদ্বার উম্মুক্ত বলে 'জামায়াত শিবিরের প্রশিক্ষিত ক্যাডার গুলো তাদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করার জন্য আওয়ামী সংগঠনে আশ্রয় নিচ্ছে।আর মনে মনে স্লোগান দিচ্ছে,,,,,,,,, ---------------#জয়বাংলা,কিন্তু #ভালবাসি_দাড়ি_পাল্লা"! শুধু আওয়ামীলীগ নয়,ছাত্রলীগ,যুবলীগসহ সকল ভ্রাতৃপ্রতিম ও সহযোগী সংগঠনের তৃনমুল থেকে কেন্দ্রীয় সব কমিটিতেই জায়গা করে নিয়েছে জামাত শিবিরের বহু প্রশিক্ষিত ক্যাডারেরা।ভাল করে একবার লক্ষ্য করুন, থানার সিপাহী থেকে শুরু করে সচিবালয় পর্যন্ত জামাতের প্রশিক্ষিত অগনিত ক্যাডাররা রয়েছেন" সরকারী বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরসমুহতে কর্মকর্তার দায়িত্বে।তাদেরকে কে বা কারা বসিয়েন এইসব সরকারি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর সমুহতে........?...

আজকেই হতে পারে সম্রাটের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।

ছবি
র দেবে ভারত  'আমার আত্মীয়-পরিবার, দলের কে, কী সেটা আমি দেখতে চাই না'  ১৫ মাস ধরে পানির নিচে, উদ্ধারের পর সচল আইফোন!  ১০ টাকায় পানি পার! (ভিডিও)  শেখ হাসিনাকে শান্তি পুরস্কার দেবে ভারত  'আমার আত্মীয়-পরিবার, দলের কে, কী সেটা আমি দেখ ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট (ফাইল ) ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটের বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে আগামীকাল মঙ্গলবার। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরলেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা গত কয়েকদিনের অভিযান, সম্রাটের ব্যাপারে প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরবেন বলে জানা গে জানা যায়, রাজধানীতে ক্যাসিনো ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে গত ১৮ সেপ্টেম্বর অভিযান শুরু করে র‌্যাব। সঙ্গে যোগ দেয় পু সময় রাজধানীতে অভিযান চালিয়ে অনেকগুলো ক্যাসিনো বন্ধ ও কয়েকজনকে আটক করা হ সিনোবিরোধী অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে যতগুলো ক্যাসিনো বন্ধ করা হয়েছে তার একটিরও মালিকানায় সম্রাটের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি। আবার ক্লাবগুলোর দায়িত্বশীল কোনো পদেও তার নাম পাওয়া যায়নি। ...

"দূর্গাপুজার ব্যানার উত্তোলন করায়,মিন্টু নাথকে তার বাড়ি থেকে ধর'এনে মারধর"

ছবি
সবার দৃষ্টি আকর্ষন করছি,সাথে মতামতও..! জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনার ছবি সম্বলিত এই ব্যানারের প্রকৃত দৃশ্যমান কোন সমস্যা আছে কিনা ?যার গুরুতর অপরাধে কাউকে তার বাড়ি থেকে ধরে এনে মারধর করা যায়..! বাঁশখালী জামায়াত অধ্যুষিত চাম্বল এলাকায় এই ব্যানার উত্তোলন করার অপরাধে প্রিয় ছোট ভাই,মিন্টু কান্তি নাথকে তার বাড়িতে গিয়ে,তারই মা'বাবার সামনে পিটিালেন! মারধর করলেন।ব্যানার নামিয়ে ফেললেন। সমস্যা নেই..? আপনি প্রমাণ করেছেন,আপনি বড় লীগার।আপনার অনেক ক্ষমতা।আর তাই তো জামায়াত বিএনপিকে কিছু করতে পারেন না,দেখে দেখে আওয়ামী লীগ মারেন।আর এখন এদের ধর্মীয় উৎসবকে সামনে রেখে শুভেচ্ছা জানানো একটা ব্যানারের অপরাধে সংখ্যালুঘু মারা শুরু করলেন...? এতো ছোট মন মানসিকতা আপনাদের..?চক্ষুলজ্জা বলতে কিছুই তো নেই। কোথায় ছিলেন সেইদিন? যেইদিন জামায়াতের একটা ব্যানার নামাতে গিয়ে বাঁশখালী বাঁশখালী থানা'র ১০পুলিশ কর্মকর্তা লাঞ্ছিত হয়,মারধরের শিকার হয়!গুলিবিদ্ধ হয়।কি করেছিলেন সেইদিন...? আজ কি করলেন? আসলেই এখানে বঙ্গবন্ধুর ছবি সম্বলিত ব্যানার তো থাকার কথা নয়।ভেবেছিলাম স্বাধীন হয়েছে...

বঞ্চিতদের মাঠ ছাড়ার নির্দেশ

ছবি
যারা আগামী নির্বাচনে মনোনয়ন পাবেন না, তাদের বার্তা দিচ্ছে আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা নিউইয়র্ক থেকে দেশে ফেরার পর, বাদ দের আগে নির্বাচনের মাঠ থেকে সরানোর নির্দেশ দিয়েছেন। আওয়ামী লীগ সভাপতি দলে র সাধারণ সম্পাদককে ডেকে, যারা আগামী নির্বাচনে দলের মনোনয়ন পাবে না, তাদের নির্বাচনী প্রচারণা বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এরা যতো প্রচারণা করবে ততোই দলে বিভক্তি সৃষ্টি হবে। ঢাকার বিভিন্ন আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী একাধিক নেতা বিশাল বিশাল বিলবোর্ড, পোস্টার লাগিয়েছেন। সংশ্লিষ্টদের অনতি বিলম্বে এসব বিলবোর্ড এবং পোষ্টার নামিয়ে ফেলার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সিটি কর্পোরেশনকে এসব ব্যানার ফেস্টুন নামিয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন। ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘কেউ যদি সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড নিয়ে পোস্টার করে, তাহলে আপত্তি নেই। কিন্তু নৌকা মার্কার প্রার্থী হিসেবে এখনই কেউ ভোট চাইলে, তাতে বাঁধা দেয়া হবে। আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল একাধিক সূত্র বলছে, ৩০০ আসনেই আওয়ামী লীগ তাঁর মনোনয়ন চূড়ান্ত করে ফেলেছে। এর মধ্যে ১৭৫জন প্রার...

জন্মদিন উপলক্ষে দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি তাওহীদুল ইসলাম জেকির ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ

ছবি
নিজের জম্মদিন উপলক্ষ্যে চট্টগ্রাম দক্ষিণজেলা  ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি তাওহীদুল ইসলাম জেকির  জুলধা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের নিয়ে ব্যতিক্রমী কর্মসূচী পালন করেন   । চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি তাওহীদুল ইসলাম জেকি'র জন্মদিন উপলক্ষ্যে জুলধা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ নুরুল হক চৌধুরীর সভাপতিত্বে ইছালে সওয়াবের উদ্দেশ্যে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে। উক্ত দোয়া মাহফিলে নাতে মোস্তফা সঃ, দরূদে মোস্তফা, ও বিশেষ মোনাজাত এ দেশবাসী ও পরিবার পরিজনের জন্য দোয়া প্রার্থনা করা হয়। উক্ত দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন জুলধা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ মুছা, যুবলীগ নেতা ফারুক, জুলধা ছাত্রলীগের যুগ্ন সম্পাদক ইয়াছিন আহমেদ রুমেল, ছাত্রলীগ নেতা এসকান্দর হামিদ, মহিউদ্দীন, মনির, জাহিদুল হক বাবু, নুর উদ্দীন কাজল প্রমুখ।

Shibir cadre of Principal in Banskhali Alawal College

ছবি
Former Shibir cadre of Principal in Banskhali Alawal College Professor Azizur Rahman, the current Jamaat leader of the University of Chittagong, was appointed as Principal of Banshkhali Government Alawal Degree College, protesting against the infamous Shibir cadre of one time and Principal of the three professors of Principal, senior professor.  Banshkhali Awami League, Jubo League and BCL's request to protect the beloved Government Alawal Degree College from being the base of Jamaat-Shibir.  If this Jamati professor is made principals, then what will be the condition of Banskhal Government Alaol College Chattra League, you are thinking about yourself.  In this way we will be defeated by the Jamatis repeatedly? We are so weak that every BCL student has to protest against this. So, we are proud of the Chhatra League that we pride ourselves on the organization, if the internal image of BCL is created from the college university, then what is the condition...

তৃনমূল মুজিব প্রেমিদের স্বপ্ন সারথি

ছবি
"আলহাজ্ব আবদুল্লাহ কবির লিটন" স্রোতের প্রতিকুলে সকল বৈরিতাকে তুচ্ছকরে জননি জন্মভুমি কে ভালবেসে জনকের আদর্শে জনকের সংগঠন কে সংগঠিত করে অবহেলিত তৃনমূল কর্মিদের পুনরায় সংগঠন মুখি করার লড়াইয়ে বিপ্লবী একটি নাম।কোন পদ নেই,পদবি নেই,সরকারি হালুয়া রুটি,(টিআর,কাবিখা) নেই তবুও দুই যুগের অধিক সময় ধরে, নিজের কষ্টার্জিত অর্থ ব্যয় করে প্রাণের সংগঠনকে সংগঠিত করার প্রয়াস চালাচ্ছেন যা বর্তমান ভোগবাদী রাজনীতিতে বিরল। আজকে অনেক ভোগবাদী, অাদর্শ বিবর্জিত নেতা দম্ভ করে বলেন "লিটন" আওয়ামীলীগের কেউনা কিন্তু তারা জানেনা বঙ্গবন্ধুর কালজয়ী আদর্শ চর্চায় কারো সার্টিফিকেট বা পরিচয় পত্র লাগেনা। Abdullah Kabir Liton বিশ্বাস করেন আওয়ামীলীগ করতে পদ-পদবি লাগেনা।জনক, জন্মভুমির প্রতি ভালবাসায় যথেষ্ট।তিনি বিশ্বাস করেন আওয়ামীলীগ বাঁচলেই বাঁচবে বাংলাদেশ,সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে ৫৬ হাজার বর্গমাইলের মানচিত্র।শ্যামল বাংলার রক্তেভেঁজা পলি মাটিতে উড়বে লাল- সবুজের পতাকা।ধর্মান্ধ শুকুনেরা কখনো মাথা তুলতে পারবেনা কথিত দ্বি-জাতি তত্বকে মিথ্যা প্রমান করে স্বাধীনতা ছিনিয়ে আনা বাঙালীর আবাসভুমি এ বাংলাদেশে।নেতৃত্বের ...

বাঁশখালীতে নৌকার প্রার্থী হচ্ছেন আব্দুল্লাহ কবির লিটন

ছবি
আগামী সংসদ নির্বাচনে বাঁশখালীতে নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করার ঘোষণা দিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগের প্রভাবশালী নেতা আলহাজ্ব আবদুল্লাহ কবির লিটন। সম্প্রতি পুকুরিয়ায় অনুষ্ঠিত বীর মুক্তিযোদ্ধা আখতারুজ্জামান চৌধুরী স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে এক ইফতার মাহফিলের বক্তব্যে এ ঘোষণা উঠে আসে। উল্লেখ্য, গতবার মনোনয়ন ঘোষণায় প্রথমবার আবদুল্লাহ কবির লিটনের নাম গণমাধ্যমে প্রচার হলেও পুনর্বিবেচনায় বর্তমান সাংসদ আলহাজ্ব মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরীকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেয়া হয়। এ বিষয়ে বাঁশখালী টাইমসের এ প্রতিনিধির সাথে মুঠোফোনে আলাপকালে তিনি বলেন- “মননোয়নের ব্যাপারে আমি যথেষ্ট আশাবাদী, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আস্থাকে পুঁজি করেই আমি এলাকা ও দলের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। নির্বাচিত হলে তাঁর পরিকল্পনা জানতে চাইলে তিনি বলেন- আমি বাঁশখালীকে বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ উপজেলায় রূপান্তর করবো, ইনশা আল্লাহ” আলহাজ্ব শাহাদাত রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মৌলভী নুর হোসেন, পুকুরিয়ার সাবেক চেয়ারম্যান আক্তার হোছাইনসহ বাঁশখালী উপজেলা আওয়ামীলীগ,যুবলীগ,ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ।  ...

কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক মিল্কীকে দেখার কেউ নেই

ছবি
সর্বশেষ ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ছিলেন মজিবর রহমান মিল্কী। মুক্তিযুদ্ধকালে আইয়ুব খানের জনসভা পণ্ড করে দিয়েছিলেন তৎকালীন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির দুইবারের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এই মিল্কী। ময়মনসিংহ জেলা যুবলীগের সভাপতি হিসাবেও নির্বাচিত হয়েছেন,  আওয়ামী লীগের বহুবার নির্বাচিত সহ-সভাপতি মজিবুর রহমান মিল্কী। ৭৫ পরবর্তী সময়ে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার দাবি, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে সাহসী ভূমিকা ছিল তার। ময়মনসিংহের মাটিতে রাজনীতি করতে গিয়ে খুঁইয়েছেন পৈত্রিক ভিটার জমি পর্যন্ত। নিজ দলের নেতা- কর্মীদের সহযোগিতায় জমি-জমা বিক্রি করে দেয়া এই নেতা আজ অর্থাভাবে সুচিকিৎসা বঞ্চিত। একাকিত্বের দুঃখ শোনারও কেউ নেই আজ। ময়মনসিংহের আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের অনেক নেতা-কর্মী মনে করছেন, মিল্কীর রাজনৈতিক জীবনে আওয়ামী লীগই ছিল ধ্যানজ্ঞান। কিন্তু, এখনকার রাজনীতি হচ্ছে দলের চাইতে পদ বেশি গুরুত্বপূর্ণ। মিল্কী পরিবারের এক সদস্য জানান, ক’বছর আগেও দলীয় নেতা-কর্মীরা এই মিল্কীর কাছে তাদের অন্তরের প্রসারতা, সহৃদয়তা প্রকাশ করতে এসেছেন। এখনকার নেতারা হয়ে যাচ্ছেন আত্মকেন্দ্রিক।...

শেখ হাসিনার অসাধারণ নেতৃত্ব ডিজিটাল ভিত রচনা করেছে বাংলাদেশ

ছবি
বিশ্ব সভ্যতার ক্রমরূপান্তরের ক্ষেত্রে আমরা এমনটি জেনেছি যে, মানুষ আগুনের যুগ বা পাথরের যুগের মতো আদিযুগ অতিক্রম করে কৃষিযুগে পা ফেলে। আদিযুগে মানুষ প্রধানত প্রকৃতিনির্ভর ছিল। প্রকৃতিকে মোকাবেলা করতো সে এবং প্রকৃতিকে নির্ভর করেই তার জীবন যাপিত হতো। বস্তুত কৃষিযুগ ছিল মানুষের সৃজনশীলতার প্রথম ধাপ যখন সে উৎপাদন করতে সক্ষম হয়। সে জ্ঞান অর্জন করে কেমন করে বীজ বপন করতে হয়, তার থেকে চারা ও বৃক্ষ হয় এবং সেই বৃক্ষের ফল সে নিজে খাবার জন্য ব্যবহার করতে পারে। দিনে দিনে সে প্রযুক্তি আয়ত্ত্ব করে। গাছে পানি দিলে তার বৃদ্ধি ঘটে, সার দিলে সে বেড়ে ওঠে ইত্যাদি; তার শেখা হয়। সে শিখে, মাটি কর্ষণ করলে ফসলের ফলন বাড়ে। সেচ আর সার দিলে ফলন আরও বাড়ে। দিনে দিনে সে ফসলের বৈচিত্র্য আনতে পারে এবং তার কৃষিজ্ঞানের নিরন্তর বিকাশ ঘটে। এরপর অষ্টাদশ শতকে ইংল্যান্ডে যান্ত্রিক যুগ বা শিল্প বিপ্লবের সূচনা হয়। সেটিকে এখন সবাই শিল্প বিপ্লবের প্রথম স্তর বলে চিহ্নিত করে। প্রধানত কৃষিনির্ভর, গ্রাম্য ইউরোপ ও আমেরিকাকে যন্ত্রনির্ভর ও শহুরে হিসেবে গড়ে তুলে এই শিল্প বিপ্লব। হাতে তৈরি যন্ত্র, কায়িক শ্রম ইত্যাদির সহায়তায় কুটির শ...